হোম > বিশ্ব > ভারত

প্রধানমন্ত্রীকে দ্বিপক্ষীয় ও ব্রিকস, দুটি আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত: জয়সওয়াল

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

আজ মঙ্গলবারের সংবাদ ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (এমইএ) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। ছবি: টুইটার

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরে ভারত যাওয়ার পাশাপাশি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস আউটরিচ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। আজ মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (এমইএ) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

জয়সওয়াল বলেন, গতকাল সোমবার বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

ভারতের আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে জয়সওয়াল বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সফরের পাশাপাশি দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস আউটরিচ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্যও আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এই বিষয়ে পরবর্তী তথ্য আমরা জানাব।’

তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্রিকস আউটরিচ অধিবেশনে যোগ দেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বাংলাদেশ। গতকাল পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এই কথা জানান।

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারত থেকে বাংলাদেশ দুটি পৃথক আমন্ত্রণ পেয়েছে। এর একটি প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য এবং অন্যটি বিমসটেকের (বঙ্গোপসাগরীয় বহুমাত্রিক কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা উদ্যোগ) বর্তমান চেয়ার হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য।

খলিলুর রহমান স্পষ্ট করেন, দুটি আমন্ত্রণকে এক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্যক্তিগতভাবে দেওয়া হয়নি, বরং বাংলাদেশ বর্তমানে বিমসটেকের চেয়ারম্যান হওয়ায় সংগঠনটির চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশকে এই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাব্য সময় জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রসিকতা করে বলেন, ‘প্রথমত, আমি জ্যোতিষী নই। তাই ঠিক কোন দিনে এটি হবে, তা ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারি না।’

এদিকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর (প্রত্যর্পণ) বিষয়ে ঢাকার অনুরোধ প্রসঙ্গে জয়সওয়াল বলেন, বিষয়টি প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে ভারত তা জানাবে।

বাংলাদেশে ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, এটি একটি আইনি বিষয় এবং এ নিয়ে তদন্ত চলছে। বাংলাদেশে হত্যাকাণ্ডের শিকার হাদিকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজনকে পরে ভারতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।