হোম > বিশ্ব > ভারত

দিল্লিতে ৭ হাজার মানুষের বৌদ্ধ ধর্মে শপথ, বিজেপির প্রতিবাদ

ভারতের রাজনীতিতে বিতর্ক যেন শেষই হচ্ছে না। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে নিয়ে কংগ্রেস নেতার ‘অশালীন’ মন্তব্যের পর এবার আম আদমি পার্টির (এএপি) এক মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কয়েক হাজার লোককে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি এ নিয়ে একটি ভিডিও ভাইরাল হলে বিজেপি এবং এএপির মধ্যে তুমুল বাগ্যুদ্ধ শুরু হয়েছে। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এএপি নেতা ও দিল্লি সরকারের সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাজেন্দ্র পাল গৌতম এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। ‘ধম্ম চক্র প্রবর্তন দিন’—নামে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে কয়েক হাজার মানুষ বৌদ্ধ ধর্মের নামে শপথ নেন। ১৯৫৬ সালের অক্টোবর মাসে ভীমরাও আম্বেদকর তাঁর কয়েক লাখ ভক্তসহ বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন। তাঁর স্মরণেই প্রতিবছর এ দিনটি উদ্যাপন কারা হয়। 

ভীমরাও আম্বেদকর সেদিন ২২টি শপথ গ্রহণ করেছিলেন। তার মধ্যে একটি ছিল হিন্দু ধর্মের দেব–দেবীদের অস্বীকার। আজ বৃহস্পতিবারের সেই অনুষ্ঠানেও আম্বেদকরের শপথগুলোর পুনরাবৃত্তি করা হয়। অনুষ্ঠানে এএপির মন্ত্রী রাজেন্দ্র পাল গৌতমসহ উপস্থিতদের, ‘আমার ব্রহ্মা, বিষ্ণু এবং মহেশ্বরের প্রতি কোনো বিশ্বাস নেই এবং আমি তাদের পূজাও করি না’—শপথবাক্য পাঠ করতে শোনা যায়। 

এদিকে, এএপির মন্ত্রীর উপস্থিতিতে এমন ধর্মান্তরকরণের কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। দলটি বলেছে, এই অনুষ্ঠান হিন্দু এবং বৌদ্ধ উভয় ধর্মের জন্যই অপমান। বিজেপি নেতা মনোজ তিওয়ারি বলেছেন, এএপির মন্ত্রীরা দাঙ্গা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এমন মন্ত্রীকে দ্রুত দল থেকে বহিষ্কার করা উচিত। আমরা তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করতে যাচ্ছি।’ 

বিজেপির দিল্লি শাখা তাদের টুইটার পেজে বলেছে, এএপির মন্ত্রী হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিষবাষ্প ছড়াচ্ছেন। টুইটে ভিডিওটি শেয়ার দিয়ে বলা হয়েছে, ‘দেখুন, কীভাবে কেজরিওয়ালের মন্ত্রীরা হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে। নির্বাচনের সময় হিন্দুর ধর্মের ভেক ধরা কেজরিওয়াল এবং এএপির আসল চরিত্র সবার সামনে উন্মুক্ত হয়ে গেছে। জনগণ শিগগিরই হিন্দু বিরোধী এএপি পার্টিকে উপযুক্ত জবাব দেবে।’ 

বিজেপির প্রতিক্রিয়ার জবাবে রাজেন্দ্র পাল গৌতম দলটিকে ভারতের সংবিধান মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘বিজেপি নিজেই জাতীয়তাবাদ বিরোধী। আমার বৌদ্ধ ধর্মের ওপর আস্থা রয়েছে, তাতে কারও কোনো অসুবিধা কেন হবে?’ তিনি আরও বলেন, ‘তাদের মামলা করতে দিন। সংবিধান আমাদের যেকোনো ধর্ম অনুসরণ করার স্বাধীনতা দিয়েছে। বিজেপি এএপির ভয়ে ভীত। ফলে তাঁরা কেবল আমার বিরুদ্ধে ভুয়া মামলাই দায়ের করতে পারবে।’ 

উল্লেখ্য, রাজেন্দ্র পাল গৌতমের প্রতিষ্ঠান জয় ভীম মিশন আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে ৭ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিল। যাদের অধিকাংশই দলিত শ্রেণির। 

কাশ্মীরে মসজিদের ওপর কড়া নজরদারি, মুসল্লিদের তথ্য নিচ্ছে মোদি সরকার

সুভাষ চন্দ্র বসুর নাতির ছেলেকেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে, কমিশনের নোটিশে বিতর্ক

ট্রাম্পের শান্তি পরিষদে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেল ভারত

তৃণমূলকে উচ্ছেদের সময় হয়ে গেছে: মালদহে মোদি

‘সুন্দরী নারী পুরুষকে বিচ্যুত করতে পারে’, ভারতীয় রাজনীতিকের বক্তব্যে তোলপাড়

ইরানের চাবাহার বন্দর নিয়ে চাপে ভারত, ট্রাম্পকে মানাতে মরিয়া দিল্লি

বিহারে সড়ক দুর্ঘটনায় কিশোরের মৃত্যু, মরদেহ উদ্ধার না করে মাছ লুটের হিড়িক

মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় কাশ্মীরে মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দিল মোদি সরকার

ভারতীয়দের শিগগির ইরান ত্যাগের নির্দেশ

কর্ণাটকে ঘুড়ির সুতায় গলা কেটে মোটরসাইকেলচালকের মৃত্যু