হোম > বিশ্ব > ভারত

নেতৃত্বে বয়সসীমা, এক ঘর এক আসন নীতিসহ সংস্কার আনছে কংগ্রেস

দলীয় পদের জন্য নির্দিষ্ট বয়সসীমা এবং এক পরিবার থেকে একজনকেই নির্বাচনী মনোনয়ন দেওয়া হবে এমন সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন রাজনৈতিক দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস। রাজস্থানের উদয়পুরে শুরু হওয়া দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের চার শতাধিক নেতার অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘চিন্তন শিবিরে’ এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 

সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধীসহ চার শতাধিক নেতা ‘চিন্তন শিবিরে’ যোগ দিচ্ছেন। দেশটিতে সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে দলটির ভরাডুবির পর দলীয় পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণে ডাকা এই চিন্তন শিবিরকে কংগ্রেস নেতা অজয় মাকেন ‘বড় পরিবর্তন’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। 

কংগ্রেসের একটি সূত্র জানিয়েছে, দলে ‘এক পরিবার, এক মনোনয়ন’ নিয়মটি ফিরিয়ে আনার বিষয়ে দলটির প্রায় সব নেতাই সম্মতি দিয়েছেন। তবে সূত্র এও জানিয়েছে, এই নিয়মের ক্ষেত্রে গান্ধী পরিবারকে রেহাই দেওয়া হতে পারে। 

অজয় মাকেন বলেছেন, ‘এই নিয়ম ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সবার সম্মতি রয়েছে।’ গান্ধী পরিবারের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তাঁরা গত পাঁচ বছর ধরেই রাজনীতিতে সক্রিয়। প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও ২০১৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের জন্য কাজ শুরু করেছেন।’ 

নতুন নেতৃত্ব প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা মানিক ঠাকুর বৃহস্পতিবার এনডিটিভিকে বলেন, ‘ভারতের ৬০ শতাংশ জনগণের বয়সই ৪০ বছরের কম হওয়ায় দলে তরুণদের প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি করা হবে। এই সিদ্ধান্ত আমাদের সব দলীয় ইউনিট এবং পদে প্রতিফলিত হতে হবে।’ 

বিজেপির জাতীয় সভাপতি হলেন বিহারের নীতিন নবীন

নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস, কর্ণাটকে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা বরখাস্ত

কাশ্মীরে মসজিদের ওপর কড়া নজরদারি, মুসল্লিদের তথ্য নিচ্ছে মোদি সরকার

সুভাষ চন্দ্র বসুর নাতির ছেলেকেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে, কমিশনের নোটিশে বিতর্ক

ট্রাম্পের শান্তি পরিষদে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেল ভারত

তৃণমূলকে উচ্ছেদের সময় হয়ে গেছে: মালদহে মোদি

‘সুন্দরী নারী পুরুষকে বিচ্যুত করতে পারে’, ভারতীয় রাজনীতিকের বক্তব্যে তোলপাড়

ইরানের চাবাহার বন্দর নিয়ে চাপে ভারত, ট্রাম্পকে মানাতে মরিয়া দিল্লি

বিহারে সড়ক দুর্ঘটনায় কিশোরের মৃত্যু, মরদেহ উদ্ধার না করে মাছ লুটের হিড়িক

মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় কাশ্মীরে মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দিল মোদি সরকার