হোম > বিশ্ব > ভারত

গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ভারতের সেই ‘করোনা মাতা’র মন্দির

ঢাকা : করোনা মহামারি থেকে মুক্তি পেতে ভারতের উত্তর প্রদেশের জুহি শুকুলপুর গ্রামে নির্মাণ করা হয়েছিল ‘করোনা মাতা’র মন্দির। সেটি স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে । ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।

গ্রামবাসীর অভিযোগ, পুলিশ এসে মন্দিরটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। তবে পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

উত্তর প্রদেশের সাঙ্গিপুর পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, একটি বিতর্কিত জমিতে এই মন্দির স্থাপিত হয়েছিল।

গ্রামবাসী জানান, লোকেশকুমার শ্রীবাস্তব নামের একজন স্থানীয়দের সহায়তা নিয়ে সম্প্রতি জুহি শুকুলপুর গ্রামে ‘করোনা মাতা’র মন্দিরটি নির্মাণ করেন। সেই গ্রামেরই বাসিন্দা রাধে শ্যামকে পুরোহিত হিসেবে ওই মন্দিরে নিয়োগ দেওয়া হয়।

জানা গেছে, লোকেশকুমার শ্রীবাস্তব নয়ডাতে থাকতেন। যে জমিতে লোকেশ মন্দির নির্মাণ করেছিলেন, সেই জমিতে নগেশ কুমার শ্রীবাস্তব এবং জয়প্রকাশ শ্রীবাস্তব নামের আরও দুজনের মালিকানা রয়েছে। মন্দির নির্মাণের পর লোকেশ আবার নয়ডায় ফিরে গেছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এই ঘটনায় লোকেশকুমার শ্রীবাস্তবের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন নগেশকুমার শ্রীবাস্তব। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, দখল করতেই ওই জমিতে মন্দির নির্মাণ করেন লোকেশকুমার শ্রীবাস্তব।

এ নিয়ে সাঙ্গিপুর থানার স্টেশন হাউস অফিসার তুষারদত্ত ত্যাগী বলেন, মন্দিরটি একটি বিতর্কিত জমিতে নির্মাণ করা হয়েছিল। ওই জমির একজন মালিক মন্দিরটি গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। এ ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে।

ধর্ষণে বাধা দেওয়ায় ৩৪ বছরের নারীকে খুন ১৮ বছরের তরুণের

মুম্বাইয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা শনাক্তে এআই টুল আনছে মহারাষ্ট্র সরকার

নিজের চরকায় তেল দাও—মামদানিকে ভারতের তিরস্কার

মহারাষ্ট্রের স্বার্থে ট্রাম্পকে সমর্থন করতেও প্রস্তুত: রাজ ঠাকরে

বাংলাদেশ আমাদের জন্য সতর্কবার্তা: যোগী আদিত্যনাথ

বঙ্গোপসাগরে চীনের ওপর নজরদারি বাড়াতে পশ্চিমবঙ্গে ভারতের নতুন নৌঘাঁটি

যুক্তরাষ্ট্রে সড়কপথে জয়শঙ্করের ৪০০ মাইলের রুদ্ধশ্বাস যাত্রা, নেপথ্য কাহিনি

৫ বছর পর ফের ভারতের সরকারি কাজে চীনা ঠিকাদাররা, বাড়ছে সম্পর্কের উষ্ণতা

‘শিবাজি: হিন্দু কিং ইন ইসলামিক ইন্ডিয়া’ বইয়ের জন্য ক্ষমা চাইল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস

‘চাইলে বাংলাদেশে ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্পের আচরণ অনুসরণ করুন, কিন্তু খেলোয়াড় কেন বলির পাঁঠা’