হোম > বিশ্ব > ভারত

আমাকে অপহরণ করা হয়েছিল—মুক্তির পর ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভের আগে আটক হয়েছিলেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। পরে গতকাল গভীর রাতে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি দাবি করেছেন, তাঁকে নিয়মমাফিকভাবে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়নি, রীতিমতো ‘অপহরণ’ করা হয়েছিল।

I was not arrested or detained, I was KIDNAPPED. Thank you for your support, here's the full story 👇 https://t.co/gcN8cAUOmY

— Dhruv Rathee (@dhruv_rathee) October 11, 2026
An error occurred while retrieving the Tweet. It might have been deleted.

আজ রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ধ্রুব রাঠি লেখেন, ‘আমাকে গ্রেপ্তার বা আটক করা হয়নি, আমাকে অপহরণ করা হয়েছিল। আপনাদের সবার সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ, পুরো ঘটনাটি নিচে জানানো হলো।’

ধ্রুব রাঠি এই পোস্টের সঙ্গে ৫ মিনিট ৪২ সেকেন্ডের একটি ভিডিওও ছিল। সেখানে তিনি বিস্তারিত ঘটনা বর্ণনা করেন।

এর আগে শনিবার সকালে গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এর নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। পরবর্তীতে গুরুগ্রামের ক্রাইম ব্রাঞ্চের হাতে আটক থাকার পর দিবাগত রাত দুইটার দিকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। গুরুগ্রাম পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হয়নি। তবে পুলিশ এও জানিয়েছে, প্রহিবিটরি অর্ডার বা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তিনি যদি পুনরায় যন্তর মন্তরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে পুনরায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

সিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, শনিবার সকালে প্রায় ৫০ জন সাদা পোশাকের পুলিশকর্মী ধ্রুব রাঠির বাড়িতে হানা দিয়ে তাঁকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।

সরকারের বিভিন্ন নীতির কড়া সমালোচক এবং কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সমর্থক হিসেবে পরিচিত ধ্রুব রাঠির এই আটকের ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল।

এদিকে শনিবারের ব্যাপক ধরপাকড়, মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা এবং চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে করা রিট ও আদালত অবমাননার আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ রোববার ছুটির দিনেও সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির বেঞ্চ রায়ে ইন্টারনেট ও মেট্রো সেবা স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি নির্বিচারে ও বেআইনি আটক না করার নির্দেশ দিয়েছেন।