ভারতের মসজিদগুলোতে মাইকের ব্যবহার নিয়ে বিতর্ক ও উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। এরই মধ্যে ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির (এনসিপি) নেত্রী ফাহমিদা হাসান খান দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে নামাজ, হনুমান চালিশা, দুর্গা চালিশা প্রভৃতি পাঠের জন্য অনুমতি চেয়েছেন পুলিশের কাছে। আর এতে খানিকটা বেকায়দায় পড়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
ফাহমিদা হাসান জানান, তিনি নিজ বাড়িতেও প্রতিদিন নামাজের পাশাপাশি চালিশাও পাঠ করেন।
‘মসজিদে মাইক বাজানো চলবে না’—মহারাষ্ট্রে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের এমন দাবিকে ঘিরে উত্তেজনা চরমে। আজানের পরিবর্তে হনুমান চালিশা বাজানোর হুমকি দিয়ে এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি গ্রেপ্তার হয়েছেন।
মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরের মতে, হিন্দুত্ব হচ্ছে একটা সংস্কৃতি। এটি নিয়ে হইচই করা অযৌক্তিক।
অন্যদিকে, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ মাইক বাজানো নিয়ে সরকারের কড়া মনোভাবের নিন্দা করে জানিয়েছেন। সর্বদলীয় বৈঠক তাঁরা বয়কট করেছেন।
সোমবার মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকার মাইক বিতর্কে সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছিল। বিজেপি সেই বৈঠক বয়কট করায় শিবসেনা বিজেপিকে হিটলারের উত্তরসূরি বলে কটাক্ষ করেছে। সেই সঙ্গে জানিয়েছে, রাজ্যের শান্তির পরিবেশ কিছুতেই তাঁরা নষ্ট হতে দেবে না। বিজেপির বিরুদ্ধে ধর্মীয় উসকানিরও অভিযোগ করেছেন শিবসেনা সাংসদ সঞ্জয় রাউত।