হোম > বিশ্ব > ভারত

এলাহাবাদ হাইকোর্টে শাহি জামা মসজিদ কমিটির আবেদন খারিজ

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তর প্রদেশের সম্ভলের শাহি জামা মসজিদ সমীক্ষা করার জন্য নিম্ন আদালতের নির্দেশ বহাল রাখলেন এলাহাবাদ হাইকোর্ট। আজ শুক্রবার এক রায়ে সমীক্ষা না করার জন্য মসজিদ কমিটির আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, বিচারপতি রোহিত রঞ্জন আগরওয়াল এই বিষয়ে রায় ঘোষণা করেন। এর আগে তিনি মসজিদ কমিটি, মামলার বাদী হরিশঙ্কর জৈন এবং ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগের আইনজীবীদের বক্তব্য শুনে রায় সংরক্ষণ করেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ১৯ নভেম্বর নিম্ন আদালতে একটি মামলায় অভিযোগ করা হয়, শাহি মসজিদ মোগল সম্রাট বাবরের আমলে হরিহর মন্দির ভেঙে তৈরি হয়েছিল। এই মামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নিম্ন আদালতের বিচারক মসজিদ সমীক্ষার নির্দেশ দেন।

এই অবস্থায় গত বছরের ২৪ নভেম্বর সরকারি কর্মকর্তারা মসজিদে সমীক্ষার কাজে গেলে স্থানীয়দের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় এবং এই ঘটনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়।

এ ঘটনার পর নিম্ন আদালতের নির্দেশ বাতিলের দাবিতে এলাহাবাদ হাইকোর্টে আবেদন করেছিল মসজিদ কমিটি। কিন্তু এলাহাবাদ হাইকোর্টে বিচারপতি রোহিত রঞ্জন আগরওয়ালের বেঞ্চ নিম্ন আদালতের সমীক্ষার নির্দেশ বহাল রেখেছেন।

মসজিদ কমিটির অভিযোগ, তাড়াহুড়া করে কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই মসজিদের সমীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিলেন নিম্ন আদালত। আরও দাবি করা হয়, ইতিমধ্যে দুবার মসজিদ সমীক্ষা হয়েছে—একবার হিন্দুপক্ষের মামলার দিনেই, এরপর আবার ২৪ নভেম্বর।

তবে হিন্দুপক্ষের অনড় অবস্থানের মুখে হাইকোর্টের রায়ে এখন প্রক্রিয়া চালু রাখার পথ সুগম হলো।

মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় কাশ্মীরে মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দিল মোদি সরকার

ভারতীয়দের শিগগির ইরান ত্যাগের নির্দেশ

কর্ণাটকে ঘুড়ির সুতায় গলা কেটে মোটরসাইকেলচালকের মৃত্যু

মমতা পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশে পরিণত করার চেষ্টা করছেন: ভারতীয় মন্ত্রী

সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো ভাষণের নতুন রেকর্ড গড়েছে ভারত

বাংলাদেশের বাহিনীগুলোর কোনো পদক্ষেপ ভারতের বিরুদ্ধে নয়: ভারতীয় সেনাপ্রধান

চলচ্চিত্র ইস্যুতে থালাপতি বিজয়ের পাশে রাহুল, জোটের রাজনীতি নিয়ে গুঞ্জন

বাংলাদেশের তিন পাশে এবার পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত

হাজারো মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দিতে দেশের আইনেরও তোয়াক্কা করছে না ভারত

ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি জানুয়ারির শেষে—দিল্লি সফরে জার্মান চ্যান্সেলর