ঢাকা: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গে তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেস বড় জয়ের দ্বারপ্রান্তে। একইভাবে তামিলনাড়ুতে জয় ডিএমকে, আসামে বিজেপি ও কেরালায় এলডিএফ জয় পাচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন এবার অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি উত্তাপ ছড়িয়েছে। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন যে, এবার পশ্চিমবঙ্গের দুর্গ ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) দখলেই যাচ্ছে। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ জুটির সব চেষ্টা ও তাবৎ সমীকরণ উল্টে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ দুর্গের দখল ঠিকই নিজের কাছে রাখলেন মমতা।
এনডিটিভির দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল ২০৫ আসনের বেশি আসনে জয় পেতে যাচ্ছে। রাজ্যটিতে জয় পেতে যেকোনো দলের ২৯৪ আসনের মধ্যে ১৪৮টিতে জয় পেলেই চলে। সেখানে তৃণমূল জয় পেতে যাচ্ছে ২১৭টি আসনে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ৭৪ আসন নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বিজেপি।
ঠিক একইভাবে তামিলনাড়ুর দ্রাবিড় মুনেত্রা খাজাগমের (ডিএমকে) কাছে পরাজয় মানতে হচ্ছে বিজেপিকে। এ রাজ্যের ২৩৪টি আসনের মধ্যে ডিএমকে এগিয়ে আছে ১৪৩ আসনে। এর পর আছে এআইডিএমকে জোট। বিজেপি ও অল ইন্ডিয়া আন্না দ্রাভিদা মুনেত্রা খাজাগমের ক্ষমতাসীন জোট এআইডিএমকে এগিয়ে ৯০টি আসনে।
কেরালায় সম্ভবত রেকর্ড গড়তে চলেছে বামফ্রন্ট নেতৃত্বাধীন লেফট ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এলডিএফ)। সেখানে তারা ১৪০ আসনের মধ্যে ৯৬টিতে এগিয়ে আছে। কংগ্রেস এগিয়ে ৪৩ আসনে। কেরালা থেকে বিজেপিকে এবার খালি হাতেই ফিরতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।
ভারতের এই পাঁচ রাজ্যে মোট আট দফায় এবার ভোটগ্রহণ হয়। গত মার্চ মাস থেকে শুরু হওয়া ভোট আজ গণনা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো ফল ঘোষণা হয়নি।
এদিকে করোনা পরিস্থিতির কারণে ভারতের নির্বাচন কমিশন সব ধরনের বিজয় মিছিল নিষিদ্ধ করেছে। ভারতের বর্তমান করোনা পরিস্থিতির জন্য এই নির্বাচন এবং একে ঘিরে নানা প্রচার কার্যক্রমকে দুষছেন অনেকে। এমনকি মাদ্রাজ হাইকোর্ট সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের তীব্র সমালোচনা করেছিলেন এ জন্য।