হোম > বিশ্ব > ভারত

আজ শুধু ট্রেলার ছিল—যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ শেষে অভিজিৎ দিপক

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

সমাবেশে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বক্তব্য দেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপক। ছবি: এএফপি

গত মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলনের মাধ্যমে সূচনা হয় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হিন্দু জাতীয়তাবাদী ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নামের অনুকরণে গড়ে ওঠা এই ককরোচ জনতা পার্টি অল্প সময়ে অনলাইনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। তবে আজ নতুন মাত্রা পেয়েছে এই ককরোচ বা তেলাপোকারা।

বিভিন্ন পরীক্ষা ও নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আজ দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দেয় সিজেপি। সেখানে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের নেতৃত্বে শত শত শিক্ষার্থী ও তরুণ চাকরিজীবী অংশ নেন। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীদের অনেককে তেলাপোকার মুখোশ পরতেও দেখা যায়।

বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপক জানান, তিনি দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় পর তাঁর মা-বাবার সঙ্গে দেখা করতে বাড়ি যাচ্ছেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন হুমকির কারণে তাঁর পরিবারকে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল এবং এখন তিনি তাঁদের আবার নিজেদের বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে আসবেন। আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, ‘আজকের দিনটি কেবল একটি ট্রেলার ছিল।’

সমাবেশে উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বক্তৃতায় অভিজিৎ দিপক বলেন, ‘বন্ধুরা, এটি একটি দীর্ঘ সংগ্রাম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমরা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানানোর পর এক মাস কেটে গেছে। কিন্তু তারা এতটাই নির্লজ্জ যে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে উল্টো আমাদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা এবং পোস্ট মুছে ফেলার মতো কাজে মনোযোগী হয়েছে। আপনারা হয়তো আমাদের পোস্ট মুছে দিতে পারেন, কিন্তু এই মাঠ থেকে আমাদের মুছে ফেলতে পারবেন না।’

এর আগে আজ সকালে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর অভিজ্ঞতা স্মরণ করে দিপক বলেন, বিমানটি অবতরণের ঠিক আগমুহূর্তে তাঁর মনে হয়েছিল যে তিনি হয়তো স্বাধীনতার শেষ মুহূর্তগুলো পার করছেন। এই আন্দোলনের জন্য তিনি নিজের স্বাধীনতা বিসর্জন দিতেও সম্পূর্ণ প্রস্তুত ছিলেন বলে জানান।

কারাগারের ভয়ে অনেকেই আপস করেছেন বা ‘বিক্রি হয়ে গেছেন’ দাবি করে সিজেপি প্রধান বলেন, ‘লেকিন ইস দেশকা ছাত্র, যুব নেহি বিকা হ্যায় (কিন্তু এই দেশের ছাত্র ও যুবসমাজ বিক্রি হয়ে যায়নি)।’ তাঁর এই বক্তব্যের সময় উপস্থিত বিক্ষোভকারীদের তুমুল করতালি ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে যন্তর মন্তর প্রাঙ্গণ।

এদিকে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ চলাকালে সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে ছয়জনকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে এবং আন্দোলনের সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে তৈরি হওয়া উত্তেজনা প্রশমনে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, আটক হওয়া ছয় ব্যক্তি সভাস্থলের কাছাকাছি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছিলেন। তবে পুলিশের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই বিক্ষোভ সমাবেশটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।

সাবেক বাসচালকের বাড়িতে মিলল ২৮ কোটি রুপি ও ১৫ কেজি সোনা

গাজায় ‘গণহত্যা’ চলাকালে আড়াই হাজার চালানে কয়েক লাখ অস্ত্র-গোলাবারুদ ইসরায়েলে পাঠিয়েছে ভারত

মোদিকে নিয়ে ‘আপত্তিকর’ পোস্ট: দিল্লি পুলিশের মামলা, ৫০০ অ্যাকাউন্ট ব্লকের সুপারিশ

কঙ্গনাকে ককরোচদের কড়া জবাব

মুসলিম নেতার প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় গুঁড়িয়ে দিতে চায় যোগী সরকার

আন্দোলনের পর গণগ্রেপ্তার—আবারও রাজপথে নামার হুমকি ককরোচদের

স্ত্রীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা, ভিডিও কলে শ্বশুর-শাশুড়িকে দেখালেন স্বামী

ভারতের জেন–জি আন্দোলনে ফেসিয়াল রিকগনিশন: ৩ হাজার অপরাধীকে শনাক্তের দাবি পুলিশের

আন্দোলনকারীদের ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বললেন কঙ্গনা, ভারতজুড়ে সমালোচনার ঝড়

শিক্ষামন্ত্রীর মন্ত্রণালয় পরিবর্তনের প্রস্তাব করেছিল ককরোচরা