হোম > বিশ্ব > ভারত

ভারতে সংক্রমণ বাড়ছেই, মোদির বৈঠক

নতুন বছরের শুরু থেকেই ভারতে দৈনিক সংক্রমণে ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়। এবার তা দেড় লাখ ছাড়াল। আজ রোববার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬৩২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, আগের দিনের চেয়ে যা ১২ শতাংশেরও বেশি। এর মধ্যে ২৭ রাজ্যে ওমিক্রনে শনাক্ত বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৬২৩। এ অবস্থায় বিশেষ বৈঠকে বসেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির আইনসভার চার শতাধিক কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আসন্ন বাজেট অধিবেশনের আগে করোনা পরীক্ষা করার পর এ তথ্য জানা যায়। গত ৪ থেকে ৮ জানুয়ারির মধ্যে তাঁদের করোনা পরীক্ষা করা হয়। 

বেশ বাজে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দিল্লিতে। রোববার রাজ্যটিতে নতুন শনাক্ত হয়েছে ২২ হাজার ৭৫১ জন। আগের দিনের চেয়ে যা ১২ শতাংশ বেশি। পরীক্ষার বিপরীতে পজিটিভ শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ৫৩ শতাংশে। একই দিনে কোভিড আক্রান্ত ১৭ জন মারা গেছে। গত বছরের ১৬ জুনের পর এটিই সর্বোচ্চ মৃত্যু। 

দিল্লির রাজ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিভিন্ন হাসপাতালের কোভিড ইউনিটে বর্তমানে ১ হাজার ৮০০ করোনা রোগী ভর্তি রয়েছেন। চলমান ঢেউয়ে এরই মধ্যে তিন শতাধিক চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন। এ অবস্থায় সদ্য কোভিডমুক্ত হওয়া দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সবাইকে টিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। 

বাজে অবস্থা বিরাজ করছে উত্তর প্রদেশেও। রাজ্যটি বর্তমানে নির্বাচনী আমেজের মধ্যে আছে। এক মাসেরও কম সময়ের ব্যবধানে রাজ্যটিতে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চলছে বিভিন্ন প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচার। এর মধ্যেই বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যটিতে নতুন করে ৭ হাজার ৬৯৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে, যা গেল সপ্তাহের একই দিনের তুলনায় ১৩ গুণ বেশি। আগের সপ্তাহের রোববার নতুন করোনা শনাক্তের সংখ্যা ছিল ৫৫২। এ অবস্থায় নির্বাচনী আমেজে থাকা রাজ্যটির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে পাঠদান ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আর রাতের কার্ফিউ চলবে বলে জানিয়েছে রাজ্য কর্তৃপক্ষ। 

এনডিটিভি জানায়, সাম্প্রতিক করোনা পরিস্থিতি নিয়ে শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে রোববার বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ছাড়াও স্বাস্থ্যমন্ত্রী, রেল কর্তৃপক্ষের প্রধান, বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রণালয় সচিবসহ সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

বৈঠকে নরেন্দ্র মোদি কোভিড পরীক্ষা, করোনাভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং, টিকাদান ইত্যাদির ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বিশেষত ওমিক্রন ধরনের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কয়েক দিনের মধ্যে সবগুলো রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। রাজ্যভেদে করোনা পরিস্থিতি ও করণীয় নির্ধারণের জন্যই তিনি এমন বৈঠক প্রয়োজন বলে বৈঠকে উল্লেখ করেন।

ব্রিকস বৈঠকে ‘ইরান যুদ্ধ’ নিয়ে মতভেদ, যৌথ বিবৃতি ছাড়াই সমাপ্ত

‘সনাতন ধর্ম নির্মূল করতে হবে’, তামিলনাড়ু বিধানসভায় এমএলএর মন্তব্যে বিতর্ক

তেলের দাম বাড়াল ভারতও

পশ্চিমবঙ্গে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞা বিজেপি সরকারের

দিল্লিতে বাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার নারী, গ্রেপ্তার ২

কর্ণাটকের স্কুলে হিজাব-পাগড়ির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার

মণিপুর রাজ্যে সশস্ত্র হামলায় কুকিদের ৩ গির্জা নেতাকে হত্যা, উত্তেজনা

তিব্বত যেতে হিমালয়ের গিরিপথ খুলবে ভারত, নেপালের সঙ্গে উত্তেজনা

ব্যক্তিগত জ্যোতিষীকে সহযোগী নিয়োগ, সমালোচনার মুখে বাতিল করলেন বিজয়

আস্থা ভোটে অভাবনীয় জয়, নিষ্কণ্টক হলো থালাপতি বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রিত্ব