দ্রব্যমূল্যের ক্রমবর্ধমান ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে এবং বহু বছর মুদ্রাস্ফীতি যেন মোকাবিলা করা যায় সে লক্ষ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরে অতিরিক্ত ২ লাখ কোটি রুপি (২ হাজার ৬০০ কোটি ডলার) ব্যয় করার কথা ভাবছে ভারত।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভারত সরকারের দুজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে আজ রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, এপ্রিলে ভারতে খুচরা পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি গত ৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থায় পৌঁছেছে। পাইকারি পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি গত ১৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। চলতি বছর ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচন। নির্বাচনের আগে এসব বিষয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ভারত সরকারের এক কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা সম্পূর্ণভাবে মুদ্রাস্ফীতি কমানোর দিকে নজর দিচ্ছি। ইউক্রেন সংকটের প্রভাবে যতটুকু সংকট হবে বলে ধারণা করা হয়েছিল বাস্তবে তার চেয়েও বেশি সংকটের মুখোমুখি হতে হয়েছে।’
ভারত সরকারের দুই কর্মকর্তা বলেন, ‘শুধু সারে ভর্তুকি দিতেই অতিরিক্ত ব্যয় হবে ৫০ হাজার কোটি রুপি।’
উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার দেশটির অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ দেশটির তেল-গ্যাসের মূল্য হ্রাসের ঘোষণা দেন। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুসারে আমদানি করা তেলের ওপর থেকে আবগারি শুল্ক কমানো হয়। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ জানান, আবগারি শুল্ক কমানোর ফলে সরকার অন্তত ১ লাখ কোটি রুপি ক্ষতির মুখোমুখি হবে।