হোম > বিশ্ব > ভারত

বাংলাদেশে পুশ ইন করা আমিরের বিষয়ে সরকারের প্রতিবেদন চাইলেন কলকাতা হাইকোর্ট

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

বাংলাদেশে পুশইন করা আমিরের বিষয়ে সরকারের প্রতিবেদন চেয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ছবি: সংগৃহীত

পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলার ১৯ বছর বয়সী অভিবাসী শ্রমিক আমির শেখকে বাংলাদেশি নাগরিক সন্দেহে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও রাজস্থান পুলিশের কাছ থেকে বিস্তারিত সরকারি প্রতিবেদন (স্ট্যাটাস রিপোর্ট) চেয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি ঋতব্রত কুমার মিত্রের ডিভিশন বেঞ্চে গতকাল বৃহস্পতিবার এ মামলার শুনানি হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পিটিশনটি করেন আমিরের বাবা। আবেদনে তিনি জানান, প্রথমে কাজের খোঁজে ওডিশায় কিছুদিন থাকার পর আমির রাজস্থানে যান। ২৫ জুন রাজস্থান পুলিশ তাঁকে আটক করে এবং বাংলাদেশি বলে সন্দেহ প্রকাশ করে। অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে কোনো যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তাঁকে বাংলাদেশে পাঠানো হয়।

ঘটনার কথা পরিবার জানতে পারে তাকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর পর। এরপর তাঁরা বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চায়। আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) আমিরকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেয়। সেখান থেকে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাঁকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে বসিরহাট হয়ে মালদার কালিয়াচক থানায় নথিভুক্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তিনি বাড়ি ফেরেন।

আদালতে বিএসএফের পক্ষে উপস্থিত ডেপুটি সলিসিটর জেনারেল রাজদীপ মজুমদার জানান, এ ঘটনায় এখনো রাজস্থান পুলিশ বা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো রিপোর্ট তাঁদের হাতে পৌঁছায়নি। তিনি আরও পরিষ্কার করেন, বিএসএফ কেবল বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আমিরকে গ্রহণ করে বসিরহাট পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছিল, মূল ‘ডিপোর্টেশন’ প্রক্রিয়ায় বিএসএফের কোনো ভূমিকা ছিল না।

আবেদনকারীর পক্ষের আইনজীবী রঘুনাথ চক্রবর্তী আদালতকে জানান, আমিরকে বেআইনিভাবে আটক করে অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়েছে, যা তাঁর মৌলিক অধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন। পরিবারের দাবি, এই অবিচারের কারণে সৃষ্ট মানসিক ও সামাজিক ক্ষতির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে তাদের উপযুক্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এ বিষয়ে দুটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে। সেখানে উল্লেখ রয়েছে, আমিরকে বসিরহাট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মালদার কালিয়াচক থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নথিভুক্ত করা হয়েছে।

মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ১২ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে। ওই দিন রাজস্থান পুলিশ ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে চাওয়া তথ্য-প্রতিবেদন আদালতে জমা পড়ার কথা। আদালত জানিয়েছে, প্রাপ্ত রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী নির্দেশ দেওয়া হবে।

ইরান যুদ্ধ: এবার হুমকির মুখে ভারতের কনডমশিল্প

ঘরে স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ দেখে ১৭ তলা থেকে স্ত্রীর লাফ

বিশ্বের সর্বোচ্চ জনসংখ্যার দেশে জনগণনা, মাঠে নামছে ৩০ লাখ কর্মী

প্রকাশ্যে আইসক্রিম বিক্রেতার শিরশ্ছেদ, মুণ্ডু বাড়িতে নিয়ে গেলেন খুনি

ভারতের আরও দুটি এলপিজি ট্যাংকার ছাড়ল ইরান

কেরালার কীটনাশক ট্র্যাজেডি: দুই দশক ধরে যে ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে শিশুরা

নতুন অর্থবছরের প্রথমার্ধেই ৮ লাখ কোটি রুপি ঋণ নেবে মোদি সরকার

৫ কেজি ওজনের কাতলা নিয়ে কেন নির্বাচনী প্রচারে নামলেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি নেতা

ভারতে বাস-লরির সংঘর্ষে পুড়ে মারা গেল ১২ জন

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সুফল—৭ বছর পর ইরান থেকে এলপিজি কিনল ভারত