ত্রিপুরাই ভবিষ্যতে হয়ে উঠছে ভারতের জন্য দক্ষিণ এশিয়ার প্রবেশ দ্বার। এমনটাই মনে করেন ত্রিপুরার শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী মনোজ কান্তি দেব। সেই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধির বিষয়টি উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশের সঙ্গে ত্রিপুরা দিয়ে ভারতের বাণিজ্য বাড়ছে। গত বছরের এপ্রিল থেকে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত ৭৩৩ কোটি রুপির বাণিজ্য হয়েছে। ২০১৭-১৮ সালে এই বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল মাত্র ৩৯০ কোটি রুপি।
ত্রিপুরা দিয়ে বৈদেশিক বাণিজ্যের বেশির ভাগটাই হচ্ছে ভারতের আমদানি বাণিজ্য। বাংলাদেশ গোটা উত্তর পূর্ব ভারতেই রপ্তানি বেশি করে। তাই ত্রিপুরায় বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি বাড়ছে।
ভারতের রপ্তানিও কিছুটা বেড়েছে। ২০১৭-১৮ সালে এপ্রিল থেকে মার্চে ত্রিপুরা দিয়ে রপ্তানির বহর ছিল মাত্র ৬ কোটি ৪৬ লাখ রুপি। সেটি এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে, ১৬ কোটি ৩৯ লাখ রুপিতে। তবে আমদানি হয়েছে প্রায় ৭১৫ কোটি রুপি।
ত্রিপুরার শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রীর মতে, ভবিষ্যতে আরও বাড়বে বৈদেশিক বাণিজ্য। ত্রিপুরার সাব্রুম এবং বাংলাদেশের রামগড়ের মধ্যে গড়ে উঠেছে ফেনী নদীর ওপর মৈত্রী সেতু।
মৈত্রী সেতু দিয়ে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে ব্যবহার করে দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে ভারতের যোগাযোগের নতুন রাস্তা খুলে যাবে। এ ছাড়া আগরতলার সঙ্গে আখাউড়া রেল যোগাযোগের কথাও বলে তিনি।
ভারতের স্বাধীনতার ৭৫ বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে দেশ জুড়ে চলছে আজাদি কা অমিৃত মহোৎসব। তারই অংশ হিসেবে পাঁচ দিনের বাণিজ্য উৎসবের আয়োজন করা হয়।
ভারতর সরকারের ডিরক্টরেট অব ফরেন ট্রেড এবং ত্রিপুরা সরকার যৌথভাবে এই উৎসবের আয়োজক। গোটা উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক বহর বৃদ্ধিই এই উৎসবের আসল উদ্দেশ্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আগরতলায় নিযুক্ত বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার মো. জোবায়েদ হোসেন দ্বিপাক্ষিক বানিজ্য সম্প্রসারনে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা বলেন। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে বানিজ্যিক সম্পর্কের উন্নয়নে বাংলাদেশ আন্তরিক।