ইউক্রেনের খেরসন থেকে সরে গেছে রুশ সেনারা। গত ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পরপরই খেরসন দখলে নেয় রাশিয়া। দীর্ঘদিন পর নিজ শহরে মুক্ত বাতাসে ঘুরতে পেরে আনন্দের যেন সীমা নেই খেরসনের বাসিন্দাদের। তবে শহরটি দীর্ঘদিন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকায় রীতিমতো বিধ্বস্ত হয়ে গেছে। এখানকার বাসিন্দারা অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।
আজ রোববার আল জাজিরা জানিয়েছে, ইউক্রেনের এক কর্মকর্তা বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘মানবিক বিপর্যয়’ বলে উল্লেখ করেছেন। সেখানে পানি, খাদ্য ও ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় রুটির মতো খাবারেরও সংকট তৈরি হয়েছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ সেখানে রেখে যাওয়া রুশ সৈন্যদের বিস্ফোরক ডিভাইস নিষ্ক্রিয় করছে। তারা মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেছেন, ‘রুশ বাহিনী পালিয়ে যাওয়ার সময় খেরসনের সব গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। পানি, বিদ্যুৎ, যোগাযোগব্যবস্থা—সব ঝাঁঝরা করে দিয়ে গেছে তারা। তাদের লক্ষ্য একটাই—মানুষকে যতটা সম্ভব বিপর্যস্ত করা। তবে আমরা সবকিছু পুনরুদ্ধার করব, আপনারা বিশ্বাস করুন।’
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার ভোরে রুশ সেনাদের খেরসন থেকে সরানো হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তারা খেরসন থেকে সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করার কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।