রুশ সেনাবাহিনী ইউক্রেন আক্রমণের পঞ্চম দিনে দুই দেশের প্রতিনিধিদল যুদ্ধ অবসানে লক্ষ্যে আলোচনা শুরু করেছে। বেলারুশের সীমান্তবর্তী একটি এলাকায় এই আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে স্থানটির নাম গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়নি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
অনেক নাটকীয়তার পর অবশেষে আলোচনার টেবিলে বসলেও শান্তি আলোচনা শুরুর আগে যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানিয়েছে ইউক্রেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বাসভবন থেকে এ দাবি জানানো হয়।
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের রাস্তায় রাস্তায় রুশ বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধ চলছে। এরই মধ্যে সাময়িকভাবে কারফিউ তুলে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কিয়েভ প্রশাসন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিয়েভে এক সপ্তাহ ধরে চলমান কারফিউ আজ তুলে নেওয়া হয়েছে। রাত ১০টা পর্যন্ত জনসাধারণের জন্য সবকিছু খোলা থাকবে। রাত ১০টা থেকে পরদিন সকাল ৭টা পর্যন্ত আবার কারফিউ বলবৎ থাকবে।
কিয়েভ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কারফিউ তুলে নেওয়া হলেও একেবারে প্রয়োজন না হলে কিয়েভের বাসিন্দারা যেন ঘরবাড়ি বা আশ্রয় কেন্দ্রের বাইরে না যায়।
রুশ সেনাবাহিনী বলেছে, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের বেসামরিক নাগরিকেরা চাইলে নির্ভয়ে কিয়েভ ত্যাগ করতে পারবে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইগর কোনাশেনকভ টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এমন কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
ইগর কোনাশেনকভ বলেছেন, শহরের বাসিন্দারা চাইলে কিয়েভ-ভ্যাসিলকিভ মহাসড়ক ধরে রাজধানী ছাড়তে পারবে। এই সড়কটি নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত ও নিরাপদ। এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, ইউক্রেন বাহিনী সাধারণ মানুষকে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে।