হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

চুমুকাণ্ডে মন্ত্রিত্ব হারানো হ্যানককের স্থলাভিষিক্ত হলেন সাজিদ জাভিদ

ঢাকা: করোনার বিধিনিষেধের মধ্যে এক সহকারীকে চুমু খেয়ে সমালোচনার মুখে পদত্যাগ করেছেন যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন সাজিদ জাভিদ। যুক্তরাজ্যের নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের কার্যালয় থেকে গতকাল শনিবার তথ্যটি জানানো হয়েছে। খবর রয়টার্সের। 

এর আগে গত বছর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের চাওয়া অনুযায়ী নিজের রাজনৈতিক উপদেষ্টাদের অপসারণে অস্বীকৃতি জানিয়ে গত বছর অর্থমন্ত্রীর পদ ছেড়েছিলেন জাভিদ। 

প্রসঙ্গত, গত ৬ মে যুক্তরাজ্যের দৈনিক পত্রিকা দ্য সান-এ ম্যাট হ্যানককের একটি ছবি প্রকাশিত হয়। যেখানে দেখা যায়, দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম পরিচালক গিনা কোলাড্যাঙ্গেলোকে জড়িয়ে ধরে তার গালে চুমু দিচ্ছেন ম্যাট হ্যানকক।   করোনা বিধিনিষেধের মধ্যে সহকর্মীকে চুমু দেওয়ার জেরে গতকাল শনিবার পদত্যাগ করেন হ্যানকক। 

বরিস জনসনকে লেখা পদত্যাগ পত্রে হ্যানকক লেখেন, আমার এ ধরনের কাজ জনগণকে হতাশ করেছে। 

পদত্যাগের পর এক টুইট বার্তায় ম্যাট হ্যানকক বলেন, আমাদের মধ্যে যারা এসব বিধিনিষেধ প্রণয়নের সঙ্গে জড়িত তাঁদের এগুলো মেনে চলা উচিত। এ জন্যই আমাকে পদত্যাগ করতে হলো। 

উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যে মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অন্যতম প্রধানের ভূমিকায় ছিলেন এই হ্যানকক। নিয়মিত টেলিভিশনের পর্দায় হাজির হয়ে জনগণকে কঠোর বিধিনিষেধগুলো মেনে চলার উপদেশ দিতেন তিনি। 

যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় চীনের নেতৃত্বে যুদ্ধজাহাজের যৌথ মহড়ায় রাশিয়া ও ইরান

ডেভিড-ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক চরমে, আইনজীবীর মাধ্যমে যোগাযোগ চান ব্রুকলিন বেকহাম

ইউক্রেনে ফের শক্তিশালী ওরেশনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, পশ্চিমাদের কঠোর বার্তা দিল রাশিয়া

শব্দের চেয়ে ১০ গুণ গতির মিসাইল দিয়ে ইউক্রেনে আঘাত রাশিয়ার

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে অস্তিত্ব সংকটে ন্যাটো

মার্কিনরা গ্রিনল্যান্ড আক্রমণ করলে ডেনিশরা ‘আগে গুলি করবে, পরে অন্য আলাপ’

মার্কিন আগ্রাসন থেকে বিশ্ব ব্যবস্থা রক্ষায় ভারত ও ব্রাজিলের ভূমিকা চান জার্মান প্রেসিডেন্ট

বিশ্বব্যবস্থাকে ধ্বংস করছে যুক্তরাষ্ট্র: জার্মান প্রেসিডেন্ট

পুতিনের মিত্র কাদিরভকে রাশিয়া থেকে অপহরণ করুক যুক্তরাষ্ট্র—চাওয়া জেলেনস্কির

ভেনেজুয়েলার বিনিময়ে ২০১৯ সালেই ট্রাম্পের কাছে ইউক্রেন চেয়েছিল রাশিয়া