ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও গুরুত্বপূর্ণ শহর খারকিভের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি রাশিয়। রুশ হামলার পর খারকিভের গভর্নর ও কিয়েভের মেয়র আলাদা আলাদাভাবে বিষয়টি জানিয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
খারকিভের গভর্নর জানিয়েছেন, ‘খারকিভের নিয়ন্ত্রণ এখনো ইউক্রেনের সৈন্যদের কাছেই রয়েছে।’
এ দিকে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিতসকো বলেছেন, কিয়েভে কোনো রাশিয়ান সৈন্য নেই। ইউক্রেনের সৈন্যরা রুশ আক্রমণ থেকে শহরটি রক্ষা করে চলেছে।
ভিটালি ক্লিতসকো বলেন, ‘সামরিক বাহিনী, আইন প্রয়োগকারী ও আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা নাশকতাকারীদের শনাক্ত ও নিরস্ত্রকরণ চালিয়ে যাচ্ছেন।’
কিয়েভের মেয়র বলেন, ‘আমরা আগেই জানিয়েছি—কিয়েভের বাসিন্দাদের সোমবার পর্যন্ত বাড়ির ভেতরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অমান্যকারী যে কেউ শত্রু পক্ষের ও নাশকতাকারী বলে বিবেচিত হবে।’
রোববার তাঁর টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বার্তায় ক্লিতসকো বলেছিলেন, রাশিয়ার আক্রমণ শুরুর পর থেকে কিয়েভে এক শিশুসহ ৯ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
ইউক্রেন সংকট নিরসনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট। রোববার রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবন ক্রেমলিন থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় রোববার রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যকার চলমান যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি ফিরিয়ে আনতে মধ্যস্থতা করার প্রস্তাব দেন।