হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

হাঙ্গেরি ও চেকোস্লোভাকিয়ায় ট্যাংক পাঠিয়ে ভুল করেছে সোভিয়েত: পুতিন

স্নায়ুযুদ্ধের সময় হাঙ্গেরি ও চেকোস্লোভাকিয়ায় গণবিদ্রোহ দমন করার জন্য সোভিয়েত ইউনিয়নের ট্যাংক পাঠানোর সিদ্ধান্ত ভুল ছিল বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আজ মঙ্গলবার ভ্লাদিভস্তকে চলমান ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরামের  সাধারণ অধিবেশনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন পুতিন।

১৯৫৬ সালে বুদাপেস্ট ও ১৯৬৮ সালে প্রাগে বিদ্রোহ দমনে মস্কোর ট্যাংক পাঠানোর সিদ্ধান্তের কারণে রাশিয়া সম্পর্কে যে ঔপনিবেশিক শক্তি হিসেবে ধারণা তৈরি হয়েছিল তা নিয়ে জিজ্ঞেস করলে জবাবে পুতিন বলেন, এটা একটা ভুল ছিল। পররাষ্ট্রনীতি অনুসারে, অন্যের স্বার্থে আঘাত করে এমন কোনো কিছু করা ঠিক নয়। 

যদিও রাশিয়া ২০২২ সালে ইউক্রেনে ১০ হাজারের মতো সৈন্য পাঠিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে সবচেয়ে বড় যুদ্ধের সূচনা করেছে। এর আগে ইউক্রেনের ক্রিমিয়া দখল করেছে রাশিয়া।

পুতিন আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়নের মতোই ভুল করছে। তাঁর ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বন্ধু নেই, শুধু স্বার্থ আছে।

১৯৫৬ সালে সোভিয়েত ট্যাংক ও সৈন্য ব্যবহার করে হাঙ্গেরির বিদ্রোহ দমন করা হয়েছিল। এ সংঘাতে অন্তত ২ হাজার ৬০০ হাঙ্গেরীয় ও ৬০০ সোভিয়েত সৈন্য নিহত হয়। 

১৯৬৮ সালে সোভিয়েত নেতৃত্বে ওয়ারশো প্যাক্ট বাহিনী সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র চেকস্লোভাকিয়ায় অভিযান চালিয়ে প্রাগ বসন্তের সমাপ্তি ঘটায়। চেক ঐতিহাসিকদের মতে, এ অভিযানে প্রায় ১৩৭ জন চেক ও স্লোভাক নিহত হন।

থার্টিফার্স্ট নাইটে সুইজারল্যান্ডে বারে বিস্ফোরণ, নিহত অন্তত ৪০

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি আর মাত্র ১০ শতাংশ বাকি: জেলেনস্কি

ব্রিটেনের রানি ক্যামিলাও যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন

জার্মানিতে হলিউড স্টাইলে ডাকাতি, ব্যাংকের ভল্ট কেটে ৩ কোটি ইউরো লুট

পুতিনের বাসভবনে ড্রোন হামলার অভিযোগ—‘মিথ্যা’ বলছে ইউক্রেন

রাশিয়ার বিরুদ্ধে একের পর এক যুদ্ধবন্দীকে হত্যার অভিযোগ ইউক্রেনীয় কমান্ডারের

জেলেনস্কি চাইলেন ৫০, যুক্তরাষ্ট্র দিতে চায় ১৫ বছরের নিরাপত্তা গ্যারান্টি

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইঙ্গিত দিলেন ৪০ যুদ্ধ কভার করা বিবিসি সাংবাদিক

ট্রাম্প-জেলেনস্কির বৈঠকে যুদ্ধ বন্ধে অগ্রগতি হলেও দনবাস ইস্যু এখনো অমীমাংসিত

লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে উত্তেজনা: শিখ ও হিন্দু বিক্ষোভকারীদের মধ্যে হাতাহাতি