হোম > বিশ্ব > চীন

শিশুসন্তানকে বাঁচাতে প্রাণ দিলেন মা

চীনের হেনান প্রদেশে প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট বন্যায় এ পর্যন্ত প্রাণ গেছে ৫১ জনের। প্রায় চার লাখ মানুষকে বাড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। হেনান প্রদেশের ওয়াংজংডিয়ান গ্রামে শিশুসন্তানকে বাঁচাতে প্রাণ গেছে এক মায়ের। উদ্ধারকারীদের বরাত দিয়ে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রবল বৃষ্টি ও বন্যা যখন বাড়িতে আঘাত হানে তখনো সেই মা তাঁর শিশুসন্তানকে নিরাপদে আগলে রাখেন। পরে সেই মায়ের মৃত্যু হলেও শিশু সন্তানকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টা ধ্বংসস্তূপের নিচে থাকার পর শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

শিশুটিকে উদ্ধারের একটি ভিডিও চীনে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে শিশুটিকে জীবিত অবস্থায় বের করা হচ্ছে। শিশুটির বয়স তিন থেকে চার মাসের মতো। উদ্ধারের পর শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছে, শিশুটি সুস্থ আছে।

ঝাও নামের একজন স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, আমি শিশুটির আওয়াজ শুনতে পাই। সেই মুহূর্তে এগিয়ে এসে শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। শিশুটিকে বাঁচাতে শিশুটিকে উপরে তুলে ধরেছিলেন শিশুটির মা।

সংবাদমাধ্যম বেইজিং ইয়ুথ ডেইলিকে ইয়াং নামের একজন উদ্ধারকারী জানান, শিশুটিকে উদ্ধারের এক দিন পর ওই মায়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের সময় ওই মায়ের শরীর প্রচণ্ড ঠান্ডায় জমাটবদ্ধ হয়ে ছিল। দেখে মনে হচ্ছিল, তিনি যেন কোনো কিছু উপরে তুলে ধরার ভঙ্গিতে রয়েছেন।

ইয়াং আরও বলেন, এমন একটি সংকটাপন্ন অবস্থায় ওই মা শিশুটিকে উপরে তুলে ধরেছিলেন। এই কারণেই মূলত শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

কোয়ান্টাম প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে ১০টির বেশি অত্যাধুনিক অস্ত্র নির্মাণ করছে চীন

যুক্তরাষ্ট্রের মতো তাইওয়ানের নেতাদের তুলে নিতে পারবে কি চীন

তাইওয়ান নিয়ে চীন কী করবে সেটা সির ব্যাপার: ট্রাম্প

‘রোমান্স ফ্রড বিলিয়নিয়ার’ চেন ঝিকে হাতে পেল চীন

যুক্তরাষ্ট্র-ভেনেজুয়েলা তেল চুক্তিতে ক্ষুব্ধ চীন, কমেছে তেলের দাম

শীতলতা কাটিয়ে উষ্ণ হচ্ছে বেইজিং-সিউল সম্পর্ক, ৪৪ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর

জন্মহার বাড়াতে নতুন কৌশল—কনডমসহ জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর দাম বাড়াল চীন

চীনা প্রযুক্তির প্রথম যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের ককপিটে প্রথম নারী ক্যাপ্টেন

২ সেকেন্ডে ঘণ্টায় ৭০০ কিমি গতি, চোখের পলকে ছুটে বিশ্ব রেকর্ড গড়ল চীনের ট্রেন

প্রথমবারের মতো বিচ্ছিন্ন কান পায়ে প্রতিস্থাপন, ফের যথাস্থানে স্থাপন