হোম > বিশ্ব > চীন

সিআইএর গুপ্তচর চীনা কর্মকর্তা, তদন্ত চলছে

এক সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির (সিআইএ) হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ এনেছে চীন। এ নিয়ে এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বার নিজ দেশের নাগরিককে গুপ্তচরবৃত্তিতে অভিযুক্ত করল চীন। জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।

চীনের নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ৩৯ বছর বয়সী হাও নামে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগের তদন্ত চলছে। 

হাওয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি জাপানে পড়াশোনার সময় টেড নামে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের এক কর্মীর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক গড়ে তোলেন। টেড পরে হাওকে টোকিওতে থাকা সিআইয়ের গুপ্তচর লাই জং হুর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। সেখানে হাও গুপ্তচরবৃত্তির এক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

শুধু তা-ই নয়, চীনে সরকারি চাকরিতে যোগদানের আগে হাও যুক্তরাষ্ট্র থেকে গুপ্তচরবৃত্তির প্রশিক্ষণ নেন বলেও চীনের অভিযোগ।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সরকারি চাকরির সময় হাও দেশের অভ্যন্তরে সিআইয়ের কর্মীদের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখতেন। এভাবে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান ও গুপ্তচরবৃত্তির জন্য তহবিল সংগ্রহ চলত। 

এ মাসের শুরুর দিকে টাকার বিনিময়ে সিআইএকে গোপন তথ্য সরবরাহের অভিযোগে ৫২ বছর বয়সী আরেক নাগরিককে আটক করে বেইজিং।

গত মাসেই চীন গুপ্তচরবৃত্তি বিরোধী আইন সংশোধন করেছে। নতুন আইনে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করলেই যে কাউকে শাস্তি দেওয়ার একচ্ছত্র ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। নাগরিকদের গুপ্তচরবৃত্তির বিরুদ্ধে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

তাইওয়ান নিয়ে চীন কী করবে সেটা সির ব্যাপার: ট্রাম্প

‘রোমান্স ফ্রড বিলিয়নিয়ার’ চেন ঝিকে হাতে পেল চীন

যুক্তরাষ্ট্র-ভেনেজুয়েলা তেল চুক্তিতে ক্ষুব্ধ চীন, কমেছে তেলের দাম

শীতলতা কাটিয়ে উষ্ণ হচ্ছে বেইজিং-সিউল সম্পর্ক, ৪৪ মিলিয়ন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর

জন্মহার বাড়াতে নতুন কৌশল—কনডমসহ জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর দাম বাড়াল চীন

চীনা প্রযুক্তির প্রথম যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের ককপিটে প্রথম নারী ক্যাপ্টেন

২ সেকেন্ডে ঘণ্টায় ৭০০ কিমি গতি, চোখের পলকে ছুটে বিশ্ব রেকর্ড গড়ল চীনের ট্রেন

প্রথমবারের মতো বিচ্ছিন্ন কান পায়ে প্রতিস্থাপন, ফের যথাস্থানে স্থাপন

অরুণাচলকে চীনের ‘মূল স্বার্থ’ বলছে পেন্টাগন, ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান বেইজিংয়ের

চীনে এক সন্তান নীতির প্রবক্তার মৃত্যু, শ্রদ্ধার চেয়ে সমালোচনাই বেশি