হোম > বিশ্ব > এশিয়া

ছবিতে নেপালের বন্যা-ভূমিধসের ভয়াবহতা

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

নেপাল ও চীনের তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩২ জনে পৌঁছেছে। ছবি: এএফপি

নেপাল ও চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৩৩২ জন নিহত হয়েছেন। এখনো প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন, যাঁদের মধ্যে অন্তত ৮০০ জন বিদেশি নাগরিক। নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে ভারত, নেপাল, চীনসহ বিভিন্ন দেশের পর্যটক ও তীর্থযাত্রী রয়েছেন। বিশেষ করে কাঠমান্ডু-রসুয়া-তিব্বত সীমান্ত হয়ে কৈলাস-মানস সরোবরগামী রুটে থাকা বহু বিদেশি যাত্রীর সঙ্গে এখনো যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, নিহত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

উদ্ধারকাজ অব্যাহত থাকায় এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে দুই দেশের কর্তৃপক্ষ। ছবি: এএফপি

বন্যা ও ধসে এখনো প্রায় ১,৫০০ মানুষ নিখোঁজ রয়েছে, যার মধ্যে অন্তত ৮০০ জন বিদেশি নাগরিক (পর্যটক ও তীর্থযাত্রী)।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নেপালি সেনাবাহিনী ও উদ্ধারকারী দল হেলিকপ্টার ব্যবহার করে দুর্গম উপত্যকায় আটকে পড়া মানুষদের কাছে জরুরি খাবার, পানি ও ফার্স্ট এইড কিট পৌঁছে দিচ্ছে।

এর আগে গত বুধবার হিমালয়ের একটি হিমবাহ ধসে পাথর ও মাটির বিশাল অংশ সরাসরি ভোতে কোশি ও ত্রিশূলী নদীতে এসে পড়লে এই ভয়াল বন্যার সৃষ্টি হয়।

এই অঞ্চলটি মূলত তিব্বতের লাসা থেকে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডু সংযোগকারী প্রধান মহাসড়ক ও অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন পথ। ফলে বিভিন্ন দেশের পর্যটক এবং তিব্বতের কৈলাস মানস সরোবরগামী শত শত পুণ্যার্থীও এই আকস্মিক বন্যার কবলে পড়েন।

আকস্মিক এই বন্যায় নদী তীরের অনেক গ্রাম ও অবকাঠামো ভেসে গেছে এবং বহু বহুতল ভবন ও যানবাহন কাদার নিচে চাপা পড়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক রয়েছেন।