হোম > বিশ্ব

অভিবাসন রুটগুলোতে গত বছর ৮ হাজার প্রাণহানি, আছে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশিও

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

উল্টে যাওয়া নৌকায় ভাসছিল বেশ কয়েকজন অভিবাসনপ্রত্যাশী। ছবি: সি-ওয়াচ

গত বছর বিশ্বজুড়ে অভিবাসন রুটগুলোতে প্রায় ৮ হাজার মানুষ মারা গেছে বা নিখোঁজ হয়েছে। এর মধ্যে ইউরোপগামী সমুদ্রপথই সবচেয়ে প্রাণঘাতী ছিল। এমন তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘ। এই তালিকায় আছে বহু বাংলাদেশিও। তবে সেই সংখ্যা কত এমন তথ্য জানা যায়নি। এমনকি, ইউরোপগামী অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশিদের সংখ্যাই বেশি।

ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন বা আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইএমও) গতকাল মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে নতুন পরিসংখ্যান প্রকাশ করে। সংস্থাটি জানায়, বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছে বা নিখোঁজ হয়েছে তথাকথিত ‘অদৃশ্য জাহাজডুবি’তে। সংস্থাটির মানবিক সাড়াদান কার্যক্রম বিভাগের পরিচালক মারিয়া মৈতা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘এই পরিসংখ্যান আমাদের সম্মিলিত ব্যর্থতার সাক্ষ্য দেয়—আমরা এসব ট্র্যাজেডি ঠেকাতে পারিনি।’

আইওএমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালে মৃত বা নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা ৭ হাজার ৯০৪। এটি ২০২৪ সালের সর্বোচ্চ ৯ হাজার ১৯৭ জনের তুলনায় কম। তবে সংস্থাটি জানিয়েছে, সহায়তা কমে যাওয়ার কারণে সন্দেহভাজন প্রায় ১ হাজার ৫০০টি ঘটনা যাচাই করা সম্ভব হয়নি, যা এই কমে যাওয়ার পেছনে আংশিক কারণ।

এদিকে, ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা ৮২ হাজার ছাড়িয়েছে। এতে সরাসরি প্রভাবিত হয়েছেন প্রায় ৩ লাখ ৪০ হাজার পরিবারের সদস্য।

আইওএমের তথ্য অনুযায়ী, মোট মৃত্য ও নিখোঁজের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৪ জনের বেশি ইউরোপগামী সমুদ্রপথে ঘটেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ইউরোপে সামগ্রিক আগমন কমেছে। তবে চলাচলের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। রাজনৈতিক ও নীতিগত পরিবর্তনের ফলে সিরীয়দের আগমন কমে গেছে, আর বাংলাদেশিরা এখন ইউরোপে পৌঁছানোদের মধ্যে সবচেয়ে বড় গোষ্ঠী।’

অনেক ঘটনাই ছিল তথাকথিত ‘অদৃশ্য জাহাজডুবি।’ এসব ঘটনায় পুরো নৌকাই সমুদ্রে হারিয়ে যায় এবং আর কখনো খুঁজে পাওয়া যায় না। পশ্চিম আফ্রিকার উত্তরমুখী রুটে প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এদিকে, এশিয়ায় রেকর্ডসংখ্যক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে রয়েছে শত শত রোহিঙ্গা শরণার্থী, যারা মিয়ানমারের সহিংসতা বা বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরের দুর্দশা থেকে পালানোর চেষ্টা করছিল।

সংস্থাটি জোর দিয়ে বলেছে, এই তথ্য দেখায় যে অভিবাসনরুট ‘কমছে না, বরং বদলাচ্ছে’ এবং ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে উঠছে যাত্রারুটগুলো। আইওএমের মহাপরিচালক অ্যামি পোপ বলেন, ‘সংঘাত, জলবায়ুর চাপ ও নীতিগত পরিবর্তনের কারণে রুটগুলো বদলাচ্ছে, কিন্তু ঝুঁকি এখনো খুব বাস্তব।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই সংখ্যাগুলোর পেছনে আছে বিপজ্জনক যাত্রায় বের হওয়া মানুষ, আর এমন পরিবার যারা এমন খবরের অপেক্ষায় থাকে—যা হয়তো কখনোই আসবে না।’ তাঁর ভাষায়, ‘এই রুটগুলো বোঝা এবং ঝুঁকি কমানো, প্রাণ বাঁচানো ও নিরাপদ অভিবাসনের রুট তৈরি করতে তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

ইরান আমাদের বোকা বানাচ্ছে, আজ আবার হামলা চালাব: ট্রাম্প

যুক্তরাজ্যে সুদানের অভিবাসীর ছুরিকাঘাত থেকে বিক্ষোভ-সহিংসতা

দল রক্ষায় কংগ্রেসের শরণ, সোনিয়া ও রাহুলের সঙ্গে বৈঠক মমতা-অভিষেকের

‘বিদ্রোহী’ শিবিরে এবার মমতা-ঘনিষ্ঠ সায়নী ঘোষ

২৬ আফগান যোদ্ধাকে হত্যার দাবি পাকিস্তানের, তালেবান বলছে—নিহতরা বেসামরিক

জোহানেসবার্গে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ১২, আহত ৯

আসামের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর আরেক এমপির পদত্যাগ, আরও একা মমতা

সৌদি-তুরস্ক রেল যোগাযোগ চুক্তি, হরমুজ এড়িয়ে যুক্ত করবে আরও ২ দেশকে

৭৭ বছর পিছিয়ে গেছে গাজা, ১৬৫০০ ফিলিস্তিনির চিকিৎসা আটকে দিয়েছে ইসরায়েল

আমিরাতে ১০০ কোটি টাকার লটারি জিতলেন নেপালের তায়েব খান, ভাগ দেবেন বন্ধুদের