উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলার তীব্রতা অনেকখানি কমে এসেছে বলে মনে হচ্ছে। তা সত্ত্বেও, সৌদি বাহিনী আজ মঙ্গলবার সকালে দেশটির পূর্বে একটি ড্রোন ধ্বংস করেছে। এ ছাড়া সরকার জানিয়েছে, তাদের বাহিনী আল-খার্জ অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হওয়া দুটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করেছে। এখানে প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটির অবস্থান। সেখানে নিয়মিত মার্কিন বাহিনী মোতায়েনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
অবশ্য, আকাশসীমা বন্ধ করতে বা বিঘ্ন ঘটাতে খুব বেশি আক্রমণের প্রয়োজন হয় না। তাই ইরান যদি আক্রমণের মাত্রা কম রাখতে সক্ষম হয়, তবুও এই সংঘাতে আক্রান্ত উপসাগরীয় (জিসিসি) দেশগুলোর জন্য এটি বড় সমস্যা। সহসাই তারা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে পারবে না। বিশেষ করে জ্বালানি উৎপাদন, পরিবহন এবং বাণিজ্যিক বিমান চলাচল শুরু হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা সহজে কাটবে না।