সারা দিনে শরীরের শক্তির মাত্রা কিংবা এনার্জি লেভেলে কিছুটা ওঠানামা হওয়া স্বাভাবিক। ঘুম, মানসিক চাপ, শারীরিক পরিশ্রম এবং সবচেয়ে বড় বিষয় আমাদের খাদ্যাভ্যাস। সাধারণত যেকোনো খাবার বা স্ন্যাকস খাওয়ার পর আমাদের সতেজ লাগার কথা, কিন্তু কিছু খাবার উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করে। এগুলো সাময়িক শক্তি বাড়ালেও দ্রুত তা কমিয়ে দেয় এবং শরীরকে ক্লান্ত করে ফেলে।
- রিফাইন বা পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট দ্রুত হজম হয়ে শক্তি কমিয়ে দেয়। এর বদলে ওটস বা লাল চালের মতো জটিল কার্বোহাইড্রেট দীর্ঘস্থায়ী শক্তি দেয়। যেমন সাদা রুটি, পাস্তা।
- অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারে প্রিজারভেটিভ, সোডিয়াম, ট্রান্স ফ্যাট
- এবং অতিরিক্ত চিনি থাকে, যা শরীরে ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ তৈরি করে ক্লান্তি বাড়ায়।
- অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার খেলে মানুষের মিষ্টি খাওয়ার প্রতি আকর্ষণ
- আরও বেড়ে যায়, যা ক্লান্তির একটি অন্তহীন চক্র তৈরি করে।
- পরিমিত কফি খাওয়া শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী।
- এনার্জি ড্রিংকস তাৎক্ষণিকভাবে মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি প্রায় ২৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে এবং সাময়িক ঘুম ঘুম ভাব দূর করে। তবে এর উচ্চমাত্রার চিনি পানের পর এনার্জি লেভেল হুট করে পড়ে যায়।
সুস্থ ও সতেজ থাকতে সাময়িক এনার্জি বুস্টকারী প্রক্রিয়াজাত খাবারের বদলে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার এবং পর্যাপ্ত ঘুমের ওপর জোর দেওয়া উচিত।