চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায়, যা জমে থাকা ঘন কফকে তরল করে বের করে দেয়, তাকে এক্সপেক্টোরেন্ট বলা হয়। ওষুধ ছাড়াও রান্নাঘরের পাঁচটি প্রাকৃতিক উপাদানে বুক হালকা করা সম্ভব। তবে কাশি দুই সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হলে কিংবা শ্বাসকষ্ট হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
গরম পানির ভাপ নিলে বা ঘরে হিউমিডিফায়ার চালালে শ্বাসনালি আর্দ্র হয় এবং কফ সহজে গলে যায়।
পর্যাপ্ত পানি, ফলের রস কিংবা ভেষজ চা পান করলে কফ পাতলা হয়। তরল খাবার বুকে জমে থাকা কফের পানির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে কফ পাতলা হয়ে সহজে কাশির সঙ্গে বেরিয়ে আসে। তবে ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা উচিত।
এতে থাকা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান কাশির তীব্রতা কমিয়ে দেয়। রাতে এক চামচ মধু গরম দুধের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে আরাম মেলে। তবে এক বছরের কম শিশুদের মধু খাওয়ানো ঠিক হবে না।
এর মেনথল যৌগ ফুসফুসের শ্লেষ্মা ভাঙতে সাহায্য করে। গরম পানিতে পুদিনাপাতা ফুটিয়ে চা বানিয়ে সহজে খাওয়া যায়। সরাসরি খাঁটি বা বিশুদ্ধ মেনথল খাওয়া উচিত নয়। কারণ, এটি বিষাক্ত হতে পারে।
এই পাতার সাপোনিন নামের উপাদান ফুসফুসের শক্ত কফ আলগা করে দেয়। থাইম ও আইভি পাতার চা কফ দূর করতে দারুণ কার্যকর।
সূত্র: হেলথ লাইন