ভ্যাপসা গরমের পর গতকাল শুক্রবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হয়েছিল শিলাবৃষ্টি; এর সঙ্গে বয়ে যায় ঝোড়ো হাওয়া। মৌসুমের প্রথম শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখী বয়ে যাওয়ায় গরম কমে কিছুটা স্বস্তি আসে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আজ শনিবারও দেশের সব বিভাগে কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে। কালবৈশাখীসহ বৃষ্টির এই ধারা ১৮ মার্চ পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তাহলে ঈদের সময় বৃষ্টিমুখর আবহাওয়াকে সঙ্গী করে ঘরমুখী ব্যক্তিদের ফিরতে হবে আপন গন্তব্যে।
আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম আজ দুপুরে আজকের পত্রিকাকে বলেন, দেশে কালবৈশাখীর মৌসুম শুরু হয়ে গেছে। মার্চ থেকে মে পর্যন্ত সাধারণত এ দেশের ওপর দিয়ে কালবৈশাখী বয়ে যায়। গতকাল এবারের মৌসুমের প্রথম কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টি হয়েছে। আজও এর সম্ভাবনা রয়েছে।
আজ সকাল ৯টায় আগামী পাঁচ দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় আজ অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সারা দেশে ১৬ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত ঝড়বৃষ্টির মাত্রা আরও বাড়তে পারে। এর সঙ্গে হতে পারে বজ্রপাত।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. বজলুর রশিদ বলেন, আগামী পাঁচ দিনই কালবৈশাখী হতে পারে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। এর মধ্যে ১৬ থেকে ১৮ মার্চ—এই তিন দিন বৃষ্টির মাত্রা বাড়বে।
এদিকে গতকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে সিলেটে ৮৩ মিলিমিটার। রাজধানী ঢাকায় যা ছিল ১৮ মিলিমিটার। এ ছাড়া নেত্রকোনায় ৪৭, শ্রীমঙ্গলে ৩৬ ও দিনাজপুরে ১৮ মিলিমিটার।