হোম > পরিবেশ

ঢাকার বায়ুমানের কিছুটা উন্নতি হলেও শিশু ও বয়স্কদের জন্য অস্বাস্থ্যকর

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ফাইল ছবি

গতকালের তুলনায় ঢাকার বায়ুমানের কিছুটা উন্নতি হয়েছে। গতকাল শনিবার ঢাকার বাতাস সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর থাকলেও আজ কেবল সংবেদনশীল স্বাস্থ্যের মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর। বাতাসের গুণমান সূচক বা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সে (একিউআই) আজ রোববার সকাল ৯টার রেকর্ড অনুযায়ী, ঢাকার বায়ুমান ১১১।

আজ রোববার দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ১১ তম। গতকাল শনিবার সকাল ৯টা ২৫ মিনিটের রেকর্ড অনুযায়ী ঢাকার বায়ুমান ছিল ১৫২, যা সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক।

আজ রোববার বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষে আছে চিলির সান্তিয়াগো। শহরটির বায়ুমান ১৭০, যা সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক। আজ শীর্ষ পাঁচে থাকা অন্য শহরগুলো যথাক্রমে ইরাকের বাগদাদ (১৬০), মিশরের কায়রো (১৫৭), কুয়েতের কুয়েত সিটি (১৫৬) ও চীনের ইয়ুহান (১৫৩)।

বাতাসের গুণমান সূচকের (একিউআই) মাধ্যমে দূষণের মাত্রা নির্ধারণ করে নিয়মিত বায়ু পরিস্থিতি তুলে ধরে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ-এয়ার। তাদের তালিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকার বাতাসে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণাই দূষণের প্রধান উৎস। বেশি মাত্রার দূষণ শ্বাসতন্ত্রের রোগ, হৃদ্‌রোগ এবং দীর্ঘ মেয়াদে ক্যানসারের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।

বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১-১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১-১৫০ এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১-২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।

বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতি বছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়।

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।

দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।

পাশাপাশি ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।

শৈত্যপ্রবাহে হাড়কাঁপানো শীত, আরও কত দিন থাকবে জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর

আজ ঢাকায় শীতের দাপট আরও বেশি

মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রাজশাহীতে, তীব্র শীত কমবে কবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর

ঢাকার বাতাস সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর, যেভাবে সতর্ক থাকবেন

ঢাকায় তাপমাত্রা বাড়তে পারে

ঢাকায় তাপমাত্রা সামান্য বেড়েছে

আসামে ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, অনুভূত বাংলাদেশেও

ঢাকায় এখন কুয়াশা না ধোঁয়াশা!

ঢাকায় শীত আরও বেড়েছে, পড়েছে ঘন কুয়াশা

ঢাকার বাতাস খুব অস্বাস্থ্যকর, সতর্ক থাকবেন যেভাবে