ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত হয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। সেখানে সফল অস্ত্রোপচার শেষে ২০ ফেব্রুয়ারি বাসায় ফেরেন তিনি। এরপর ৪ মার্চ রাতে ফেসবুক লাইভে এসে নিজের শারীরিক অবস্থার বিবরণ দিয়ে অভিনেত্রী জানান, অনেকটা ভালো আছেন তিনি। চিকিৎসকদের পরামর্শে বাসাতেই বিশ্রামে আছেন।
গতকাল রোববার নিজের ফেসবুকে আরেকটি পোস্ট করেন তানিয়া বৃষ্টি। সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি লেখেন, ‘অপারেশন+ লাইফ সাপোর্ট + আইসিইউ = ১১ দিন।’ অভিনেত্রীর এমন পোস্টের পর থেকে ভক্তরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ার করেন নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী। তাঁর পোস্টের মাধ্যমে জানা যায়, চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তানিয়া বৃষ্টি।
ফেসবুকে চয়নিকা চৌধুরী লেখেন, ‘কখন যে কার জীবনে কী ঘটে যায়, কেউ বলতে পারে না। চেন্নাইতে আছি অথচ আমার একজন পছন্দের মানুষ, অভিনয়শিল্পী তানিয়া বৃষ্টির সঙ্গে দেখা হবে না? এটা কেমন কথা? আমিও দৌড়ের ওপর আছি। তানিয়া বৃষ্টি এম জি এম হাসপাতালের আইসিইউতে ছিল তারপর কাল (শনিবার) কেবিনে দিয়েছে। সেই ৯ তারিখ থেকে ২২ মার্চ। আজ রিলিজ হলো (রোববার)। আবার ১১ দিন পর আসতে হবে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘তানিয়া বৃষ্টির সঙ্গে দেখা হলো। আধা ঘণ্টা ছিলাম। কথা হলো, ওকে দেখলাম, এত মায়া লাগছিল। চোখেমুখে, হাসিতে মায়া। অনেক নরম হয়ে গিয়েছে। কিন্তু সুন্দর লাগছিল। তানিয়ার সঙ্গে আছে ওর বোন। বিদেশের বাড়িতে দুজন! তানিয়ার জন্য প্রার্থনা আর শুভ কামনা। তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যাও। অনেক প্রার্থনা মন থেকে তোমার জন্য। নিজের যত্ন নিও প্লিজ।’
তানিয়া বৃষ্টির শারীরিক অবস্থা জানার জন্য যোগাযোগ করা হয় চয়নিকা চৌধুরীর সঙ্গে। ভারত থেকে খুদে বার্তায় আজকের পত্রিকাকে চয়নিকা চৌধুরী জানান, ৯ মার্চ চিকিৎসার জন্য চেন্নাই যান তানিয়া। সেখানে সফল অস্ত্রোপচার শেষে এখন অনেকটাই ভালো আছেন তানিয়া বৃষ্টি। আজ রাতে দেশে ফিরবেন অভিনেত্রী।
চয়নিকা চৌধুরী বলেন, ‘৯ মার্চ চেন্নাই আসার পর তানিয়ার সার্জারি হয়। তারপর লাইফ সাপোর্ট আর আইসিইউতে ছিল। শনিবার কেবিনে স্থানান্তর করা হয়। গতকাল রোববার বিকেলে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দিয়েছে তাকে। আগামী মাসের ১০ তারিখ আবার যেতে হবে চেন্নাইয়ের হাসপাতালে।’
তানিয়া বৃষ্টির শারীরিক অবস্থার খবর জানিয়ে চয়নিকা চৌধুরী বলেন, ‘এখন ভালো আছে। মাথার ব্যাপার অনেক নিয়মকানুন মেনে চলতে হবে। কোনো স্ট্রেস নেওয়া বারণ।’