ইতালির হোটেল রুম নিয়ে বিতর্ক
গত মাস থেকে ইউরোপে সংগীতসফরে ব্যস্ত সময় পার করছেন নগরবাউল জেমস। এখন তিনি রয়েছেন ইতালিতে, পারফর্ম করছেন দেশটির বিভিন্ন শহরে। কয়েক দিন আগে গান শুনিয়েছেন রোম শহরে। সেই কনসার্টের পর জেমস ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বিরুদ্ধে হোটেল রুম নোংরা ও অগোছালো রেখে বেরিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি সত্যি নয় বলে জানিয়েছেন জেমসের ম্যানেজার রুবাইয়াত ঠাকুর রবিন। এবার এ নিয়ে মুখ খুললেন জেমস।
১৬ আগস্ট রোমে একটি কনসার্টে অংশ নিতে জেমস ও তাঁর সফরসঙ্গীরা বেস্ট ওয়েস্টার্ন হোটেলের একটি অ্যাপার্টমেন্টে ওঠেন। চেকআউটের পর ওই কক্ষের কয়েকটি ছবি ও হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আয়োজকদের কথোপকথনের স্ক্রিনশট সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। হোটেল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, কক্ষটি অপরিষ্কার অবস্থায় রেখে যাওয়া হয়েছে এবং তাঁদের না জানিয়ে সেটি ছেড়ে যাওয়া হয়েছে। অপরিচ্ছন্নতার কারণে আয়োজকদের ২০০ ইউরো জরিমানা করেছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।
জেমস এখন আছেন ইতালির ভেনিস শহরে। ২৩ আগস্ট শহরটিতে পারফর্ম করবেন তিনি। কনসার্ট উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উঠে আসে রোমের হোটেল-কাণ্ড প্রসঙ্গ। জেমস জানান, যে রুম নিয়ে কথা হচ্ছে, সেখানে তিনি ছিলেন না, ছিলেন তাঁর দলের অতিথি মিউজিশিয়ান।
সংবাদ সম্মেলনে জেমস বলেন, ‘হোটেল কর্তৃপক্ষ যে রুমের কথা বলছে, সেটা হলো ৫৪৯। সেখানে আমাদের অতিথি গিটারিস্ট ও কি-বোর্ডিস্ট ছিল। হোটেল ক্লিন রাখা নিয়ম, কিন্তু ইয়াং ছেলে—তারা হয়তো পরিষ্কার করেনি। কিন্তু এটা বড় কোনো ঘটনা নয়। হোটেলে অনেক সময় এমন ঘটনা ঘটে থাকে। প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হয়, তারা হয়তো সেটি করেনি।’
জেমস আরও বলেন, ‘অনেকেই রুম এলোমেলো রাখে। যদি হোটেল কর্তৃপক্ষ সত্যিই ২০০ ইউরো জরিমানা করে থাকে, তাহলে এটা এমন কী বড় ফাইন? এমনও দেখা যায়, কেউ রুমে ধূমপান করে ১০০ বা ২০০ ইউরো জরিমানা দেয়। একেক দেশে একেক নিয়ম, এটি এমন বড় কোনো বিষয় নয়।’
এই ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় জেমসের সমালোচনা করছে অনেকে। তবে এসব সমালোচনায় পাত্তা দিতে চান না জেমস। তিনি বলেন, ‘এটা নিয়ে এত বড় কোনো ইস্যু তৈরি করার দরকার নেই। মানুষের ফোন আছে, দুই-চারটা কথা লিখছে লিখুক। বাধা দেওয়ার কিছু নেই। তারা মন খুলে লিখুক, স্বাধীনতা আছে।’