হোম > বিনোদন > বলিউড

‘হক’ সিনেমার জন্য কোরআন পাঠ শেখেন ইয়ামি গৌতম

বিনোদন ডেস্ক

‘হক’ সিনেমায় ইয়ামি গৌতম। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

ইয়ামি গৌতমের প্রায় দুই দশকের ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বেশি প্রশংসা পেয়েছেন ‘হক’ সিনেমা দিয়ে। এতে সাজিয়া বানু নামের এক মুসলিম নারীর চরিত্রে অভিনয় করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। এ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য যে পরিশ্রম করেছে ইয়ামিসহ পুরো টিম, তা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। মুসলিম নারীর চরিত্র নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে চার মাস ধরে পবিত্র কোরআন পাঠ করা শিখেছেন ইয়ামি।

সম্প্রতি বিবিসি এশিয়ান নেটওয়ার্কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হক সিনেমার পরিচালক সুপর্ণ ভার্মা জানান, হক সিনেমার মূল চরিত্র সাজিয়া বানুর আবেগ ও বিশ্বাসকে সঠিকভাবে পর্দায় তুলে ধরা ছিল সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং। ইয়ামি কেবল সংলাপ মুখস্থ করেননি, বরং চিত্রনাট্যে ব্যবহৃত কোরআনের আয়াত এবং এর অর্থ বোঝার চেষ্টা করেছেন। চার মাস ধরে সঠিকভাবে কোরআন পাঠ শিখেছেন, যাতে মুসলিম নারী হিসেবে তাঁকে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়।

কেবল ইয়ামি গৌতম নন, দেড় বছর ধরে ইসলামি শরিয়াহ আইনের বিভিন্ন দিক নিয়ে গভীর গবেষণা করেছেন হক সিনেমার নির্মাতা ও লেখক টিম। যেহেতু সিনেমাটি আইনি লড়াই ও সামাজিক ন্যায়বিচারকেন্দ্রিক, তাই প্রতিটি তথ্য যেন নির্ভুল থাকে সেদিকে কড়া নজর ছিল নির্মাতাদের।

পরিচালক সুপর্ণ ভার্মা বলেন, ‘আমরা প্রায় দেড় বছর সময় নিয়ে ইসলামিক আইন বুঝতে চেষ্টা করেছি। এই গবেষণার মূল কারণ হলো, এখন প্রচুর পরিমাণে ভুল তথ্য প্রচার করা হয়। সবার কাছেই তথ্য আছে, কিন্তু তা ঠিক না ভুল—বোঝা কঠিন। এ পরিস্থিতিতে আমি চেয়েছিলাম হক সিনেমাটি যেন যুক্তির একটি কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠে।’

পরিচালকের চাওয়া বিফলে যায়নি। গত বছরের ৭ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল হক। তবে সিনেমাটি ঘিরে হইচই পড়ে যায় গত ২ জানুয়ারি নেটফ্লিক্সে মুক্তির পর। শুধু ভারত নয়, আন্তর্জাতিক পরিসরেও ব্যাপক সাড়া ফেলে এই কোর্টরুম ড্রামা। বাংলাদেশের দর্শকদেরও মন জয় করেছে গল্পটি।

হক তৈরি হয়েছে বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে লেখা ‘বানু: ভারত কি বেটি’ বই অবলম্বনে। ঘটনাটি ১৯৬৭ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের। আইনজীবী আব্বাস খানের সঙ্গে বিয়ে হয় সাজিয়া বানুর। প্রথম দিকে ভালোই চলছিল সংসার। তাদের ঘর আলো করে আসে দুই সন্তান। একবার মাসখানেকের জন্য শহরের বাইরে যায় আব্বাস। ফিরে আসে নতুন বউ নিয়ে। সাজিয়া বানুর সুখের সংসার তছনছ হওয়ার সেই শুরু। সন্তানদের ভরণপোষণের জন্য আদালতে মামলার সিদ্ধান্ত নেয় সাজিয়া।

কিন্তু আদালত তাকে পাঠান মুসলিম পারিবারিক আদালতে। সেখানে প্রত্যাখ্যানের শিকার হয় সাজিয়া। একপর্যায়ে সাজিয়াকে তালাক দেয় আব্বাস খান। তবু হাল ছাড়ে না সাজিয়া। প্রায় এক দশকের সংগ্রামের পর সুপ্রিম কোর্টে নিজের অধিকার ফিরে পায় সে। ভারতে এ রায় ছিল এক অনন্য দৃষ্টান্ত। হক সিনেমায় ইয়ামি গৌতমের সঙ্গে আব্বাস খান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইমরান হাশমি।

‘থ্রি ইডিয়টস’ সোনম ওয়াংচুকের জীবন নিয়ে নয়, এত দিন তাহলে ভুল জানত সবাই

২৫ বছর পর মঞ্চে ফিরছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী

রাম মন্দিরে চুরিকে ‘সামান্য বিষয়’ বললেন অনুপম খের, ভাইরাল নাসিরুদ্দীন শাহের পুরোনো ভিডিও

বলিউড: সৌরভের বায়োপিকের ফার্স্ট লুকে লর্ডসের স্মৃতি, ট্রলের শিকার রাজকুমার

অবশেষে গাঁটছড়া বাঁধলেন আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাট

সব প্রস্তুতির পরও আটকে গেল সালমানের ‘মাতৃভূমি’

‘৫ জুলাই আমরা বিয়ে করছি’, সাংবাদিকদের জানালেন আমির খান

আর পরিচালনায় ফিরবেন না মহেশ ভাট

সংগীতা বা ঐশ্বরিয়া নন, সালমান খানের প্রথম প্রেম শাহীন, কে তিনি

‘১৫ মাসের নাতনি মোদি নাম জপছে’, সিনেমা মুক্তির আগে সুনীল শেঠির মোদিবন্দনা