হোম > বিনোদন

সংস্কৃতি খাতের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে শিল্প-সংস্কৃতি খাতের বরাদ্দ ও প্রস্তাব নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন এই অঙ্গনের মানুষেরা। এবারের বাজেটে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে ৮২৬ কোটি টাকার বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যা গত অর্থবছরে এই খাতে প্রস্তাবিত বরাদ্দের তুলনায় ২ কোটি টাকা বেশি। যদিও শেষ পর্যন্ত এই খাতে গত অর্থবছরের বরাদ্দ কমে দাঁড়ায় ৭৫৩ কোটি টাকা।

এবার প্রস্তাবিত বরাদ্দের মধ্যে পরিচালন ব্যয়ের জন্য রাখা হয়েছে ৪৮৫ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য ৩৪১ কোটি টাকা। এ ছাড়া সংস্কৃতি খাতের পাশাপাশি ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির বিকাশ খাতে থিয়েটার ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ব্যাপকভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করা হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চলচ্চিত্রের উন্নয়ন এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক মানের কারিগরি মানসম্পন্ন স্টুডিও গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি খাতে ডিজিটাল মিডিয়ায় ব্যবহৃত সংগীতের মানোন্নয়ন ও ক্রিয়েটিভ মিউজিক তৈরিতে সহায়তার জন্য প্রয়োজনীয় মিউজিক্যাল ইনস্ট্রুমেন্ট—যেমন গিটার, পিয়ানো, ভায়োলিন ইত্যাদি এবং এগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ আমদানিতে বিদ্যমান ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া চলচ্চিত্র ও ক্রিয়েটিভ মিডিয়ার কারিগরি দিক আন্তর্জাতিক স্তরে উন্নীত করার উদ্দেশ্যে উচ্চপ্রযুক্তির সিনেমাটোগ্রাফিক ক্যামেরা এবং প্রজেক্টরের খুচরা যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাদ্যযন্ত্র আমদানিতে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক প্রত্যাহারের খবরে সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ডস অ্যাসোসিয়েশনের (বামবা) সভাপতি হামিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘এর আগে বাদ্যযন্ত্রের ওপর শুল্ক কমানো হয়নি। বিষয়টি নিয়ে সরকার ভেবেছে, এ জন্য ধন্যবাদ জানাই।’

তবে প্রতিবারের মতো এ বছরও সংস্কৃতি খাতে প্রত্যাশিত বরাদ্দ না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন থিয়েটার আর্টিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব ঢাকা (টাড)-এর সভাপতি আজাদ আবুল কালাম। আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, ‘কয়েক বছর ধরেই আমরা সংস্কৃতি খাতে ন্যূনতম ১ শতাংশ বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়ে আসছি। সেখানে গত অর্থবছরের চেয়ে এই বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বাড়ানো হয়েছে ২ কোটি টাকা, যেটা আসলে হতাশার। এ ছাড়া কালচারাল হাবের কথা যে উল্লেখ করা হয়েছে, সেটা কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সেটাও আমি বুঝতে পারছি না। ক্যামেরা ও বাদ্যযন্ত্রের দাম কমানো হয়েছে, এতে সংস্কৃতির কী আসে যায়, সেটাও বুঝি না। যেমন ধরুন, মানিকগঞ্জের একজন একতারা দোতারা বাজিয়ে গানের চর্চা করেন, তাঁর জন্য পিয়ানোর দাম কমাতে কী আসে যায়?’

আজাদ আবুল কালাম আরও বলেন, ‘থিয়েটার, নাচ, গানসহ সংস্কৃতির অনেক বিভাগ রয়েছে। এই বাজেটে এতগুলো বিভাগের কীভাবে উন্নয়ন হবে, সেটা বড় প্রশ্ন। সব মিলিয়ে হতাশাজনক। এর মধ্যেও যদি উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো আশার আলো নিয়ে আসে, তাহলে সেই আলোর প্রতিফলন কীভাবে ঘটবে, সেটা আমি নিশ্চিত নই। অনেক দিন পর নির্বাচিত একটি সরকারের কাছ থেকে বাজেট এল। অনেক প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু আগে যা দেখেছি তা-ই হচ্ছে, সামনেও তা-ই হবে বোধ হয়। সাংস্কৃতিক কর্মীরা এমনিতেই মানবেতর জীবনযাপন করেন। এমন বাজেট দেখলে মনে হয় রাষ্ট্র তাঁদের বাঁচিয়ে রাখার প্রয়োজন মনে করে না। তাঁদের কীভাবে নার্সিং করা হবে—সেই ভাবনা মনে হয় রাষ্ট্রের নেই।’

এসভিএফ আলফা আইয়ের আরও তিন সিনেমায় নিশো

মুক্তির তালিকায় থাকা নির্বাচিত সিনেমা ও সিরিজ

বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে প্রতিদিনের ধারাবাহিক

মুক্তি পাচ্ছে দেশ-বিদেশের নতুন দুই সিনেমা

শিল্পকলায় ৮ দিনব্যাপী উৎসব শুরু হচ্ছে কাল, প্রথম নাটক ‘চোরের নাম চরণদাস’

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় শোবিজ তারকারা

আলফার টিজারে বিধ্বংসীরূপে আলিয়া

ভালোবাসার টানে শহুরে মেয়ে অনন্যার দুর্গম যাত্রা নিয়ে ‘লাইফলাইন’

বাংলাদেশ-নেপাল যৌথ আয়োজনে সম্মাননা প্রদান

ভালোবাসার গল্পে রওনক রিপনের নতুন নাটক ‘সমান সমান’