দুই দশক আগে মঞ্চনাটক দিয়ে শুরু সোহেল মণ্ডলের অভিনয়। এরপর কাজ করেছেন নাটক ও সিনেমায়। তবে ওটিটি নতুন করে চিনিয়েছে এই অভিনেতাকে। ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে পর্দায় হাজির হয়ে প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। এই ঈদে বড় পর্দায় ভিলেন হয়ে চমকে দিয়েছেন সোহেল মণ্ডল। মেহেদী হাসান হৃদয়ের ‘রাক্ষস’ মুক্তির পর থেকে আলোচনায় সোহেল মণ্ডলের নাম।
রাক্ষসে সোহেলের অভিনয় আর লুক নজর কেড়েছে দর্শকদের। বিষয়টি খুব উপভোগ করছেন তিনি। ঈদের দিন থেকে সিনেমার প্রচারে হলে হলে ঘুরছেন। পাচ্ছেন দর্শকের ভালোবাসা। সোহেল মণ্ডল বলেন, ‘যেকোনো অ্যাপ্রিসিয়েশন সব সময় ভালো লাগে। আমি খুব আনন্দিত যে দর্শক হলে এসে রাক্ষস দেখছেন, আমাদের চরিত্রগুলো নিয়ে কথা বলছেন। এটা আমাকে অনুপ্রাণিত করছে। সব মিলিয়ে খুব ভালো একটা সময় পার করছি।’
ভিলেন হওয়ার প্রস্তুতি প্রসঙ্গে সোহেল মণ্ডল বলেন, ‘ফিটনেস নিয়ে নিজে থেকে কাজ করছিলাম। এর মধ্যে রাক্ষস সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব আসে। পরিচালক হৃদয় যখন চরিত্রটি আমাকে ব্রিফ করে, সে সময় থেকেই মানসিকভাবে একধরনের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছিল। এ ছাড়া মেকআপ আর্টিস্ট, কস্টিউম ডিজাইনার সবার অনেক সহযোগিতা ছিল এই চরিত্র হয়ে উঠতে।’
এবারই প্রথম নয়, এর আগে ২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মুসাফির’ সিনেমায় নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন সোহেল মণ্ডল। ১০ বছর পর আবার বাণিজ্যিক সিনেমায় ভিলেন হলেন তিনি। রাক্ষসের নির্মাতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে সোহেল বলেন, ‘মুসাফির সিনেমার থেকে রাক্ষসে আমার চরিত্রটি একেবারে আলাদা। রাক্ষসের জন্য পুরো ক্রেডিট দিতে চাই নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয়কে। আমি অনেক দিন অপেক্ষায় ছিলাম বাণিজ্যিক ঘরানার সিনেমায় অভিনয়ের জন্য। সেই সুযোগ হৃদয় আমাকে করে দিয়েছে।’
আবারও বড় পর্দায় নেতিবাচক চরিত্র দেখা যাবে কি না—জানতে চাইলে সোহেল বলেন, ‘আমি সব সময় চেয়েছি নানা রকম চরিত্র করতে। যে গল্প ও চরিত্র আমার পছন্দ হয়, সেই কাজে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করি। এই দুটির সংযোগ ঘটলে আবার পর্দায় হাজির হব। সেটা ভিলেন হতে পারে, হিরো হতে পারে কিংবা অন্য কোনো চরিত্র।’