হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

তোহার উদ্ভাবন ‘সংকেত’ অ্যাপ বিপদে এক ক্লিকেই পাশে প্রতিবেশী

নওসাদ আল সাইম

কল্পনা করুন, জনবহুল মেলায় সন্তান হারিয়ে গেছে কিংবা গভীর রাতে নির্জন রাস্তায় কোনো নারী বিপদে পড়েছেন। স্মার্টফোনে মাত্র একটি ক্লিক, আর ১০ মিনিটের মধ্যে সমাধান! সায়েন্স ফিকশন মনে হলেও এটি বাস্তব। বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী তানজিদুল ইসলাম তোহার তৈরি অ্যাপ ‘সংকেত’ এমনই এক উদ্ভাবন।

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘ন্যাশনাল সায়েন্স ফেস্ট ২০২৬’-এ সিনিয়র ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান পেয়েছে এই প্রকল্প। তোহার পাশে ছিলেন মুজাহিদ হাসান মাহিন, যিনি ‘সংকেত’-এর গ্রোথ অ্যান্ড কমিউনিটি ডিরেক্টর।

নিরাপত্তার ডিজিটাল ছাতা

সংকেত একটি অলাভজনক কমিউনিটি সেফটি নেটওয়ার্ক। বাংলাদেশকে ১ হাজার ৩৫০টি পোস্টকোডে ভাগ করে এলাকাভিত্তিক বিপদে দ্রুত সাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা এতে করা হয়েছে। তোহার মতে, সরকারি সাহায্য পৌঁছানোর আগের ‘গোল্ডেন আওয়ার’-এ প্রতিবেশীই জীবন বাঁচাতে পারে।

অ্যাপটির প্রধান ফিচার

অ্যাপটিতে নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বেশ কিছু আধুনিক ফিচার যোগ করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো জরুরি SOS, যা এক ক্লিকেই লোকেশনসহ অ্যালার্ট পৌঁছে দেয় পরিবার ও আশপাশের ভেরিফায়েড ব্যবহারকারীদের কাছে। হারিয়ে যাওয়া শিশু বা প্রবীণদের দ্রুত খুঁজে পেতে রয়েছে নিখোঁজ অ্যালার্ট। এটি তাৎক্ষণিকভাবে নির্দিষ্ট এলাকার ব্যবহারকারীদের ফোনে ছবি ও তথ্য পৌঁছে দেয়। সেফ ম্যাপ ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা জলাবদ্ধতা, খোলা ম্যানহোল বা ছিনতাইপ্রবণ এলাকা মানচিত্রে পিন করে অন্যদের সতর্ক করতে পারেন। এ ছাড়া রক্তদান, মাদক প্রতিরোধ কিংবা সরকারি জরুরি বার্তা ভেরিফায়েড ব্যাজসহ প্রচারের জন্য রয়েছে কমিউনিটি ও প্রশাসনিক বার্তা আদান-প্রদানের সুবিধা।

আগামীর ভিশন

তোহা বর্তমানে ‘সংকেত’-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর। তাঁর সঙ্গে আরও আছেন সিফায়েত রহমানসহ একদল তরুণ। তোহার আগামী দিনের স্বপ্ন, সরকারি ও টেলিকম সহায়তায় ইন্টারনেট ছাড়া এই সেবা সবার কাছে পৌঁছানো। তাঁর উল্লেখযোগ্য আরেকটি লক্ষ্য হলো—দেশের প্রতিটি স্মার্টফোনকে একটি ‘জীবন বাঁচানোর হাতিয়ার’ হিসেবে তৈরি করা।

ড. ফরহাদের নেতৃত্বে বুটেক্সে সর্বোচ্চ গবেষণা অনুদান

ইফতারে প্রাণের বন্ধনে পাঠকবন্ধু বগুড়া শাখা

নারী দিবসে তরুণীদের ভাবনা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রীতির ইফতার শিক্ষার্থীদের

আয়ারল্যান্ডে ইউসিডি গ্লোবাল এক্সিলেন্স বৃত্তির সুযোগ

শিক্ষার্থীদের তৃতীয় কোনো ভাষায় দক্ষতা অর্জনের আহ্বান সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

পঞ্চম শ্রেণির ‘পড়ার চিন্তায়’ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা

পঞ্চম শ্রেণির ‘পড়ার চাপে’ ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা

স্কুল ও কলেজের জন্য র‍্যাঙ্কিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

অটোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তির সুযোগ