হোম > শিক্ষা

কর্মবিরতিতে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের একাংশ, বার্ষিক পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ফাইল ছবি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের একাংশ পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছেন। তাঁরা আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হতে যাওয়া বার্ষিক পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের’ অনুসারীরা আজ রোববার দ্বিতীয় দিনের মতো কর্মবিরতি পালন করেছেন।

কয়েক দিন আগে দশম গ্রেডে বেতনসহ তিন দাবিতে তাঁরা আন্দোলন করছিলেন। পরে ১১ তম গ্রেডে বেতনের আশ্বাসে কর্মসূচি স্থগিত করেন।

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার চাঁনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকেরা আজ রোববার কর্মবিরতি পালন করছেন বলে জানিয়েছেন স্কুলটির শিক্ষক ও ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের’ আহ্বায়ক মো. আবুল কাসেম।

তিনি বলেন, ‘সোমবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু। তবে আমরা বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন করে লাগাতার কর্মবিরতি চালিয়ে যাব। আশ্বাস অনুযায়ী আমাদের ১১ তম গ্রেডে বেতন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে।’

নোয়াখালী সদর উপজেলার ত্রিপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মবিরতি চলছে বলে জানিয়েছেন পরিষদের আরেক আহ্বায়ক ও স্কুলটির শিক্ষক মোহাম্মদ শামছুদ্দীন মাসুদ।

তিনি বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয়ের আশ্বাস অনুযায়ী ৩ দফা দাবির মধ্যে ১১ তম গ্রেডের প্রজ্ঞাপন জারি ও অন্যান্য দাবি বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হওয়ায় আমরা পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করছি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কমিটমেন্ট অনুযায়ী আপাতত ১১ তম গ্রেডসহ ৩ দফা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত পূর্ণদিবস কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে।’

গ্রেড ও পদোন্নতি নিয়ে জটিলতা নিরসনের ৩টি দাবি পূরণে গত মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) থেকে ‘তিন দিনের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি’ পালন করে রোববার থেকে ক্লাসে ফিরেছেন প্রাথমিকের শিক্ষকদের ১২টি সংগঠনের মোর্চা ‘প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদ’ অনুসারীরা।

এই মোর্চাভুক্ত সংগঠন ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের’ সভাপতি শাহীনুর আল আমিন বলেন, ‘আমরা তিন দিন লাগাতার কর্মবিরতি পালন শেষে রোববার থেকে ক্লাসে ফিরেছি। সোমবার থেকে বার্ষিক পরীক্ষা শুরু, আমরা বাচ্চাদের জিম্মি করে কোনো কর্মসূচি নেব না।’

ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাঘাসুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকেরা কর্মবিরতি পালন করেছেন না বলেও জানান স্কুলটির সহকারী শিক্ষক শাহীনুর আল আমিন।

তিনি বলেন, ‘১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা। পরীক্ষা শেষ করে আমরা ১১ ডিসেম্বর থেকে অনশন কর্মসূচি শুরু করব।’

গত ৮ নভেম্বর শহীদ মিনারে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষকেরা। ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের’ ব্যানারে সেদিন বিকেলে তাঁরা ‘কলম বিরতি কর্মসূচি’ পালনে মিছিল নিয়ে শাহবাগের দিকে এগিয়ে যাওয়া চেষ্টা করলে তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান, লাঠিপেটা, কাঁদুনে গ্যাস প্রয়োগ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ। সেসময় বেশ কয়েকজন আহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষকেরা পরদিন থেকেই কর্মবিরতি শুরু করেন।

পরে ১০ নভেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকেরা, যেখানে একাদশ গ্রেডে বেতন নির্ধারণ এবং উচ্চতর গ্রেড ও পদোন্নতির জটিলতা নিরসনে সরকারে আশ্বাস দিয়েছে জানিয়ে ওই দিন রাতে তাঁরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন।

ড্যাফোডিলে উদ্যোক্তা উন্নয়নবিষয়ক লোকবক্তৃতা অনুষ্ঠিত

ঢাবির দুই অনুষদে নতুন ডিন

চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচির বিজ্ঞপ্তিটি সম্পূর্ণ অসত্য: আন্তশিক্ষা বোর্ড

সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটিতে গবেষণা সম্মেলন

গবেষণা অনুদান পেলেন জবি ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার হোসেন

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা: সাংবাদিকতায় আগ্রহীদের জন্য বৃত্তির সুযোগ

ডিআইএর প্রতিবেদন: ‘সিটি অ্যালাউন্সের’ নামে লুটপাট সিটি কলেজে

জবিতে বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

প্রাথমিকের শিক্ষক-কর্মকর্তারা গবেষণায় পাবেন ২ লাখ টাকা

প্রাইম ইউনিভার্সিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে ইংরেজি ভাষা শিক্ষা নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত