বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর বিদ্যমান দশ শতাংশ আয়কর প্রত্যাহারের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি (এপিইউবি)। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে করের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সমিতি।
আজ রোববার এপিইউবি থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাজেট প্রণয়নের পূর্বে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ বরাবর আয়কর প্রত্যাহারের যৌক্তিকতা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয় এবং এ বিষয়ে ইতিবাচক আশ্বাস পাওয়া গেলেও বাজেট প্রস্তাবে তার প্রতিফলন ঘটেনি।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহকে অবকাঠামো ও প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, ল্যাবরেটরি ও লাইব্রেরির উপকরণ ক্রয় এবং বিভিন্ন সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ভ্যাট ও ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়। এর পাশাপাশি দশ শতাংশ আয়কর বহাল থাকলে একদিকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও মানোন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হবে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হবে, যা উচ্চশিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধি করবে।
এ ছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০ অনুযায়ী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হয়। সে ক্ষেত্রে এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর আয়কর আরোপ বা বহাল রাখা অলাভজনক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নীতিগত অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।