হোম > শিক্ষা

শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়ানো ও কোচিং-নির্ভরতা বন্ধের দাবি

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

প্রেস ব্রিফিংয়ে কথা বলেন রাশেদা কে চৌধুরী। ছবি: আজকের পত্রিকা

শিক্ষার্থীরা যেন কোনোভাবেই অসংখ্য পরীক্ষার বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে কোচিং ও গাইডনির্ভর না হয়ে ওঠে, সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া সরকারের অগ্রাধিকারে থাকা উচিত। শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান করানো, কোচিং-নির্ভরতা কমানো ও শিক্ষকদের সঙ্গে যুক্ত এমন কোচিং সেন্টার বন্ধ করা দরকার। গত সরকারের মতো শিক্ষা মন্ত্রণালয় যেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় না হয়ে ওঠে। একই সঙ্গে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের মাধ্যমে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া, বিনিয়োগ বাড়ানো এবং শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনৈতিক অপপ্রভাব বন্ধ করতে হবে।

আজ শনিবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে গণসাক্ষরতা অভিযানের প্রস্তাবনা শীর্ষক এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তাদের কাছ থেকে এসব কথা উঠে আসে।

গণসাক্ষরতা অভিযান ও এডুকেশন ওয়াচের যৌথ উদ্যোগে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এ সময় সরকারের শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেটের এনভেলপ বাড়ানো, উন্নয়ন বাজেটের বাস্তবায়ন, উন্নয়ন ব্যয়কে অগ্রাধিকার, ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, শিক্ষার মানদণ্ড নির্ধারণসহ ১২টি সংস্কার ঘোষণার ওপর বেসরকারি শিক্ষা পরিবারের একটি প্রস্তাবনা প্রকাশ করে সংস্থা দুটি।

প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন সংগঠনটির নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী। তিনি জানান, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করলে সেই অর্থ কীভাবে ব্যয় হবে, তা সুনির্দিষ্ট করার দাবি জানানো যাচ্ছে। বিশেষ করে, ঝরে পড়া শিক্ষার্থী, বাল্যবিবাহের শিকার ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীসহ চর, হাওর ও পাহাড়ি এলাকার শিক্ষার উন্নয়নে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে মেন্টরিং ও মনিটরিং জোরদার এবং স্বচ্ছতা-জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কার্যকর তদারকির ওপর গুরুত্ব দেওয়া দরকার বলে মনে করেন তিনি।

এ ছাড়া পুনঃ ভর্তি ফি আদায় বন্ধের নির্দেশনা পুরোপুরি বাস্তবায়ন, বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি অষ্টম শ্রেণি থেকে তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালু, সংস্কৃতি ও খেলাধুলায় শিক্ষক নিয়োগ, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলক নিবন্ধনের আওতায় আনা এবং একটি সমন্বিত শিক্ষা আইন প্রণয়নের দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষায় গবেষণা বরাদ্দ বাড়িয়ে ‘ডেটা ব্যাংক’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়ারও আহ্বান জানানো হয়।

প্রস্তাবনার ওপর কথা বলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস প্রফেসর ড. মনজুর আহমদ। তিনি বলেন, শিক্ষায় দুর্নীতি ও বাণিজ্যিকীকরণ কোনোভাবেই সহ্য করা উচিত নয়। রাজনৈতিক অঙ্গীকারের মাধ্যমে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনৈতিক অপপ্রভাব বন্ধ করতে হবে।

মনজুর আহমদ আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে এনে শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে, যাতে কোচিং ও প্রাইভেট-নির্ভরতা কমে। প্রতিশ্রুতির বদলে কার্যকর বাস্তবায়নই এখন বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে তিনি একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বিশেষজ্ঞদের নিয়ে টাস্কফোর্স গঠনের ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন গণসাক্ষরতা অভিযানের উপপরিচালক তপন কুমার দাশ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন এডুকেশন ওয়াচের আহ্বায়ক ড. আহমদ মোশতাক রাজা চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ প্রমুখ।

প্রাইম ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৩য় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

প্রাথমিকের শিক্ষকদের উপস্থিতি মনিটরিং করবে অধিদপ্তর

যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৪ কোটি টাকার বৃত্তি পেলেন রাতুল

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার আগে

জার্মানিতে ক্যারিয়ার: জেনে নিন ওয়ার্ক ভিসার খুঁটিনাটি

ইংরেজি শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করার ৫ কৌশল

শিক্ষাব্যবস্থাকে মালয়েশিয়া-অস্ট্রেলিয়ার মানে উন্নীত করার কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী

বরাদ্দ বৃদ্ধি ইতিবাচক বাস্তবায়নে জরুরি হবে সুশাসন

১৮তম বিইউপি দিবস উদ্‌যাপন