হোম > শিক্ষা

ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে কোনো পরীক্ষা নয়, নিলে ব্যবস্থা: মাউশি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে পরীক্ষা বা মডেল টেস্ট নেওয়া যাবে না। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান নেয়, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। 

চলতি বছর থেকে শুরু হয়েছে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রমের বাস্তবায়ন। এই শিক্ষাক্রমে পরীক্ষানির্ভরতা কমিয়ে শ্রেণিভিত্তিক মূল্যায়নে জোর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর পরও অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অন্যান্য শ্রেণির মতো এ দুই শ্রেণিতেও মডেল টেস্ট বা পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

গতকাল সোমবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক বেলাল হোসাইন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ক্ষেত্রে প্রচলিত কোনো পরীক্ষা বা মডেল টেস্ট নেওয়া যাবে না। এ দুই শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী শিখন-শেখানো ও মূল্যায়ন কার্যক্রমের ক্ষেত্রে এনসিটিবি প্রণীত শিক্ষক সহায়িকা এবং শিক্ষাক্রমের নির্দেশনা অনুসারে পড়াতে হবে। 

নতুন চালু হওয়া ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের বিষয়ে এনসিটিবি থেকে যে গাইডলাইন দেওয়া হবে এবং এ ব্যাপারে বিস্তারিত পরবর্তী সময়ে জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনার বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক বেলাল হোসাইন আজকের পত্রিকা'কে বলেন, ‘নতুন শিক্ষাক্রমে গতানুগতিক পদ্ধতিতে পরীক্ষা বা মডেল টেস্ট নেওয়ার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে আমরা নির্দেশনাও দিয়েছি। এর পরও কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা শিক্ষক পরীক্ষা বা মডেল টেস্ট নিলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

আরও খবর পড়ুন:

ঢাবিতে মানবাধিকারবিষয়ক ২ দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু

ঢাবির দুই হলে ফগার মেশিন দিল ডিএসসিসি

দুই দিনে নতুন ভিসি-প্রোভিসি পেল ২১ বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাবির সিন্ডিকেট সভা ঘেরাও কর্মসূচি ডাকসুর

আজও প্রতি রাতে ছেলের গেঞ্জি বুকে জড়িয়ে ঘুমাই: শহীদ সাজিদের মা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমায় ভর্তি, আবেদন ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত

মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ে সিএসই বিভাগের ৬০তম ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা

তিন বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য

শিক্ষা ক্যাডারে বদলিতে ৩ কমিটি করে নীতিমালা

জাতীয় অধ্যাপক হলেন মাহবুব উল্লাহ