উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষার পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের সৃজনশীল অংশের দুটি প্রশ্ন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং বোর্ড কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে এটি পর্যালোচনা করছে। প্রয়োজন হলে এই দুটি প্রশ্নে ‘পূর্ণ নম্বর’ দেওয়া হবে।
সোমবার (১৩ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর জেসমিন তাসলিমা বানুর সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ সোমবার অনুষ্ঠিত এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার সৃজনশীল অংশের ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্ন সম্পর্কে বিভিন্ন মাধ্যমে উত্থাপিত বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড সম্পূর্ণ অবগত রয়েছে। এই মুহূর্তে বোর্ড কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে।
বোর্ডের পক্ষ থেকে পরীক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে বলা হয়েছে, প্রশ্নপত্র পর্যালোচনার পর যদি সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন দুটিতে কোনো ধরনের ত্রুটি বা অসংগতি প্রমাণিত হয়, তবে প্রচলিত পরীক্ষা মূল্যায়ন নীতিমালা অনুযায়ী পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ সম্পূর্ণভাবে সংরক্ষণ করা হবে। কোনো পরীক্ষার্থী যেন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এমনকি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন দুটির জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর (ফুল মার্কস) প্রদান করা হবে।
একইসাথে এ বিষয়ে কোনো ধরনের গুজব বা বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার জন্য এবং অনর্থক উদ্বিগ্ন না হতে সকল পরীক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি।