খুলনায় মোটর ইউনিয়ন শ্রমিকনেতা মাসুম বিল্লাহ খুনের এক দিন পর মামলা হয়েছে। আজ শুক্রবার নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
মামলায় তিনি খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুসহ আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৮-৯ জনকে আসামি করেন। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন অশোক ঘোষ ও জাবেদ গাজী। তাঁদের মধ্যে অশোক ঘোষকে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় লোকজন আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। তাঁর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বুধবার গভীর রাতে সোনাডাঙ্গা থানাধীন ২২ তলা ভবনের পাশ থেকে জাবেদ গাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, বিকেলে নিহতের স্ত্রী ফতেমাতুজ জোহারা থানায় আসেন। স্বামীর হত্যার ঘটনায় তিনি গ্রেনেড বাবুসহ আটজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৮-৯ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন।
এর আগে গত বুধবার রাতে খুলনার একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে রোগীকে দেখতে যান শ্রমিকনেতা মাসুম বিল্লাহসহ পরিবারের সদস্যরা। পরে তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কেনাকাটা করতে বের হন।
এ সময় সন্ত্রাসীরা তাঁকে ধাওয়া দেয়। জীবন বাঁচাতে তিনি ডাকবাংলো বাটার শোরুমে ঢুকে পড়েন। সন্ত্রাসীরা তাঁর পিছু নিয়ে তাঁকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে।
স্থানীয়রা জানান, গত ১৫ জানুয়ারি মোবাইল ফোনে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ মাসুমকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় তিনি জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে রূপসা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। কিন্তু জিডি করেও বাঁচতে পারলেন না এই শ্রমিকনেতা।