পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান সোহাগের বিরুদ্ধে অন্যর বউ ভাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভাগিয়ে নিয়ে যাওয়া গৃহবধূ স্বজনেরা এই অভিযোগ করেছেন। উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের উত্তর আদমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
ওই গৃহবধূর ভাই অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার বহরমপুর ইউনিয়নের উত্তর আদমপুর গ্রামে আমার বোনের বিয়ে হয়। তাঁর পরিবারে দুই ছেলে ও এক কন্যাসন্তান রয়েছে। পরিবারে দুই ছেল ও এক কন্যা রয়েছে। ঘটনার দিন গত রোববার রাতে আমার বোন তাঁর স্বামীকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করেন। পরে চেয়ারম্যান সোহাগের সঙ্গে তিন বাচ্চা নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় অজ্ঞাত নাম উল্লেখ করে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আসাদুজ্জামান সোহাগ বলেন, এ বিষয় আমি কিছুই জানি না। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। মেয়েটিকে তাঁর স্বামী মারধর করেছিল। এরপর ৯৯৯ ফোন করার পর দশমিনা থানা-পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত না।
দশমিনা থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান বলেন, স্বামী মামলা করলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।