হোম > অপরাধ

চরমপন্থীরা আবার অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়ছে: র‍্যাব

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন। ছবি: আজকের পত্রিকা

অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন চরমপন্থী সংগঠন আবারও সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে এবং আত্মসমর্পণ করা অনেকেই পুনরায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।

র‍্যাবের এ কর্মকর্তা জানান, রাজধানীর আদাবর ও সিরাজগঞ্জ এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ১২টি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও অস্ত্র পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে। এ সময় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজন হলেন পাবনা জেলার অস্ত্র ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী আলমগীর হোসেন ওরফে শুটার আলমগীর (৪৫) এবং রকিব রানা (৫৫)। তাঁদের তথ্য অনুযায়ী, এসব অস্ত্র চট্টগ্রাম এলাকা থেকে ঢাকায় আনা হয়। পরে সেগুলো পাবনা অঞ্চলে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে জানিয়েছেন তাঁরা।

ইন্তেখাব চৌধুরী আরও জানান, পাবনা-কুষ্টিয়া অঞ্চলে চরাঞ্চল দখলকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন চরমপন্থী গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ঘটে থাকে। অস্ত্রগুলো এসব অঞ্চলের বালুমহালে আধিপত্য বিস্তারে ব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে জানিয়ে র‍্যাব জানায়, অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন চরমপন্থী সংগঠন আবারও সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে।

র‍্যাবের এ মিডিয়া কর্মকর্তা বলেন, দেশের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের ওপর নির্ভর করে সাধারণ মানুষের অপরাধজগতের বিচরণ বা প্রত্যাবর্তন। সুন্দরবনের জলদস্যুদের পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। যাঁরা আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরত গিয়েছিলেন, তাঁরা যাতে স্বাভাবিক জীবনযাপনই চালিয়ে যান এবং আবার এই দস্যুজীবনে ফেরত না আসেন। তবে যাঁরা অপরাধে জড়িয়ে গেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় পরিচালিত বড় যৌথ অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, ওই অভিযানে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ সদস্য অংশ নেন। এতে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি দেশি পিস্তল, একটি এলজি, ২৭টি পাইপগান তৈরির পাইপ, ৩০টি পিস্তলের ম্যাগাজিন, ৬১টি কার্তুজ, ১ হাজার ১১৩ রাউন্ড গুলি, ১১টি ককটেলসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চরমপন্থী গ্রুপগুলোর সক্রিয় হওয়ার বিষয় তুলে ধরে যৌথ অভিযানে অংশ নেওয়া র‍্যাব-১২ অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি আতিকুর রহমান মিয়া বলেন, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সর্বহারা ও বিভিন্ন নিষিদ্ধ চরমপন্থী সংগঠনের তৎপরতা ছিল। ২০২৩ সালে র‍্যাব-১২-এর উদ্যোগে প্রায় ৩১৩ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেছিলেন এবং তাঁদের পুনর্বাসনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

র‍্যাবের এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর কিছু আত্মসমর্পণকারী সদস্যের আবারও পুরোনো কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এ কারণে তাঁদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

ভিক্ষুকের বিকাশ-নগদে চাঁদাবাজির ২১ লাখ টাকা

মোহাম্মদপুরে চাঁদাবাজ ধরে ঘোরাল পুলিশ

ওসির অ্যাকাউন্টে বিপুল লেনদেনের অভিযোগ

যাত্রাবাড়ীতে ছুরিকাঘাতে মাদ্রাসাছাত্র খুন, কিশোর হেফাজতে

কাশিমপুর কারাগারে ‘আয়নাবাজি’ করতে গিয়ে ধরা পড়লেন আজিজুল

তিনটি খুন, পেছনে মাদকাসক্ত ছেলেরা

অর্থ পাচারের অভিযোগে গানবাংলার তাপসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী নারীকে বিয়ের ফাঁদে ফেলে কোটি টাকা আত্মসাৎ, ‘স্বামী’ গ্রেপ্তার

মামলার তদন্ত: ঢাকার খুনে পুলিশের ‘বিদেশ ফর্মুলা’

৩৬৩টি আইফোনসহ তিন চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার