হোম > অর্থনীতি

১৪ মাস পর নিলামে ডলার বিক্রি বাংলাদেশ ব্যাংকের

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ছবি: সংগৃহীত

বাজারে ডলারের চাহিদা বাড়ায় ১৪ মাসের বেশি সময় পর আবারও ডলার বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নিলামের মাধ্যমে ছয়টি ব্যাংকের কাছে মোট ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখার পাশাপাশি বাড়তি চাহিদা মেটাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

গতকাল সোমবার এ নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার এ তথ্য প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

যদিও বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, বাজারে ডলারের কোনো সংকট আছে কি না এবং ডলারের দর যাচাই করতেই নিলামের মাধ্যমে ডলার বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২ কোটি ডলার বিক্রির প্রস্তুতি থাকলেও মাত্র ৬টি ব্যাংক নিলামে অংশগ্রহণ করে ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার কিনেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, ডলার বিক্রিতে বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সা। গড় দর ছিল ১২৩ টাকা ২২ পয়সা। এর কাট অফ রেট ছিল ১২২ টাকা ৮০ পয়সা।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাজারে ডলারের কোনো সংকট আছে কি না, প্রকৃত বিনিময় হার কত হতে পারে, তা পর্যালোচনা করে থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক। সে লক্ষ্যেই মোট ২ কোটি ডলার বিক্রির জন্য নিলাম ডাকা হয়েছিল। সব ব্যাংককে আহ্বান জানানো হলেও মাত্র ছয়টি ব্যাংক ১ কোটি ১৫ লাখ ডলার কেনার প্রস্তাব করে। তাদের সব প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। তারা চাইলে আরও ৮৫ লাখ ডলার নিতে পারত। এতে বোঝা যায়, ব্যাংকগুলোর কাছে পর্যাপ্ত ডলার আছে। বাজারে কোনো সংকট নেই।

সবশেষ নিলামের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ১ সেপ্টেম্বর ৫ কোটি ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তখন কাট অফ রেট ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আজ আন্তব্যাংক বাজারে ডলারের গড় বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে প্রতি ডলারে ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সা। আগের দিন এই হার ছিল ১২৩ টাকা ২০ পয়সা।

এদিকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে দেশে আমদানি ব্যয় বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে দাম বেড়েছে জ্বালানি তেলেরও। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদাও কিছুটা বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে দেশের আমদানি ব্যয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৬ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। এর বড় কারণ জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি। জুলাই মাসে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য আমদানি ব্যয় ৮৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ১ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

অন্যদিকে জুলাইয়ে রেমিট্যান্স কিছুটা বাড়লেও দেশের রপ্তানি আয় কমেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ৪ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক ডলার বিক্রির সিদ্ধান্তে বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে তাদের নীতিতে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। এর আগে, গত ১৪ মাসে বাজার থেকে প্রায় ৬০০ কোটি ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

সরকারের নিট ব্যাংকঋণ: ব্যয় মেটাতে ব্যাংকমুখী সরকার

দুই ব্যাংকের পর্ষদে পাঁচ স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ

অনিবাসীদের অগ্রাধিকার শেয়ার ইস্যু ও লভ্যাংশ প্রত্যাবাসন সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

দীর্ঘ মেয়াদে বাড়বে এলএনজির চাহিদা—বলছে ‘অ্যাডনক গ্যাস’

সৌদিতে ফ্লাইট চলাচলে সীমাবদ্ধতা, ভোগান্তিতে ২৩ হাজারের বেশি যাত্রী

জাতীয় ফার্নিচার মেলায় বার্জার পেইন্টসের ইনোভা উড কোটিং ও উডকিপার প্রো

নন-লাইফ ইনস্যুরেন্স সেবা চালু করছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ও প্রগতি ইনস্যুরেন্স

ছয় সপ্তাহের মধ্যে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে

ঢাকা-দাম্মাম বিমানের ফ্লাইট চালু ৭ নভেম্বর, যাত্রীসংকটে স্থগিত রিয়াদ রুট

জ্বালানিসংকটে মানুষের ভোগান্তি, মার্কিন কোম্পানিগুলোর মুনাফা ১৩ হাজার কোটি ডলার