হোম > অর্থনীতি

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি

ঈদে ভোগাবে না বিদ্যুৎ, এপ্রিল নিয়ে আশঙ্কা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

পবিত্র রমজান মাস বিবেচনায় চলতি মার্চে বিশেষ প্রচেষ্টায় লোডশেডিং সহনীয় পর্যায়ে রাখা গেলেও আগামী মাসে (এপ্রিল) গরম বাড়লে লোডশেডিং বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ, এপ্রিলে গরম বাড়লে বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়বে। কিন্তু উৎপাদন সেই অনুপাতে বাড়বে কি না, তা নিশ্চিত নয়।

চলতি মাসে সার কারখানাসহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সচল রাখার পরও গত সপ্তাহে সময়ে সময়ে ঘণ্টায় প্রায় ৫০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত লোডশেডিং করতে হয়েছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মালিকদের সংগঠন বলছে, সরকার সময়মতো বকেয়া টাকা পরিশোধ না করায় বেসরকারি কেন্দ্রগুলো জ্বালানি আমদানি করতে পারেনি। তাই এপ্রিল-মে মাসে পরিস্থিতি কী হবে, তা বুঝতে পারছে না তারা।

বিপিডিবির তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুতের ঘণ্টাপ্রতি উৎপাদন ও বিতরণের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত শনিবার বিকেল ৪টায় ১৩ হাজার ৫০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন ছিল ১২ হাজার ৫৪৬ মেগাওয়াট। এ সময় ৪৮১ মেগাওয়াট লোডশেডিং ছিল। বিদ্যুতের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্র থেকে সাড়ে ৪ হাজার মেগাওয়াট, কয়লাভিত্তিক কেন্দ্র থেকে ৪ হাজার ২৫৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এসেছে। তরল জ্বালানি থেকে এসেছে ৮৭৫ মেগাওয়াট।

গত বুধবার রাত ৯টার পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১৪ হাজার ৯৬০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় ১৪ হাজার ৮৫৫ মেগাওয়াট। গত সপ্তাহে এটিই বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা ও উৎপাদন। ওই সময় ১০০ মেগাওয়াট লোডশেডিং ছিল।

বিপিডিবির সদস্য (উৎপাদন) জহুরুল ইসলাম বলেন, অল্প লোডশেডিং হলেও মার্চজুড়ে বিদ্যুতের খুব বেশি ঘাটতি হবে না। ঈদের সময়ও সমস্যা হবে না। কারণ, এখন ১৫ হাজার মেগাওয়াট চাহিদা থাকলেও ঈদের ছুটিতে তা ১২ হাজার মেগাওয়াটে নেমে আসবে। তবে এপ্রিলের চিত্র কেমন হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে সৃষ্ট জ্বালানি-সংকটের প্রভাব তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পড়বে না জানিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র চলে ফার্নেস অয়েলে। আগামী দুই মাস তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালানোর মতো ফার্নেস অয়েল দেশে মজুত রয়েছে। এর মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আর সমস্যায় পড়তে হবে না।

জহুরুল ইসলাম বলেন, বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য সরকার আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। আগামী দিনগুলোতে তেলের চাহিদা নিরূপণ ও আমদানি নিয়ে পিডিবি কাজ করছে। গ্যাসের সংকট থাকায় সার কারখানাগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। সরকার স্পট মার্কেট থেকে গ্যাস সংগ্রহের চেষ্টা করছে।

বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকদের সংগঠন বিপপার ভাইস প্রেসিডেন্ট নাভিদ হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিদ্যুৎ খাতের বড় সমস্যা হচ্ছে কেন্দ্রগুলো সরকারের কাছে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা পাবে। এর মধ্যে তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো পাবে ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই টাকা না পাওয়ায় কেন্দ্রগুলো জ্বালানি আমদানি করতে পারছে না। ঈদ উপলক্ষে সরকার বকেয়ার ৫ থেকে ১০ শতাংশ পরিশোধ করেছে। কিন্তু তা জ্বালানি আমদানির জন্য যথেষ্ট নয়। ইতিমধ্যে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ৩০ শতাংশ বেড়ে গেছে। তাই সরকার এখন টাকা পরিশোধ করলেও তা দিয়ে জ্বালানি আমদানি দুরূহ হয়ে পড়বে। ফলে মার্চ ঠিকঠাকভাবে পার হলেও এপ্রিল-মে মাসে কী পরিস্থিতি হবে, তা বোঝা যাচ্ছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজার: পোশাকের দাম কমেছে ২.৬%

ঈদবাজারে বেড়েছে টাকার প্রবাহ

ওয়ালটন পণ্য কিনে উপহার পেলেন আরও ২৭ ক্রেতা

প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১৮০ দিনের প্ল্যান শেয়ার করেছি: বিডা চেয়ারম্যান

সোনা বা ডলার নয়, ইরান যুদ্ধে সর্বাধিক বেড়েছে যে সম্পদের দাম

‘মিরসরাই মিডিয়া ক্লাব, ঢাকা’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা

পুঁজিবাজার: বিদেশি-প্রবাসীর উপস্থিতি কমেছে

সংকট কাটছেই না, বড় বোতল উধাও

পোশাক কারখানা: ঋণ ও প্রণোদনায় স্বস্তি, এবার বেতন-বোনাস মিলছে আগেই

প্রাইম ব্যাংকের এএমডি পদে পদোন্নতি পেলেন এম নাজিম এ চৌধুরী