হোম > অর্থনীতি

বিবিসির প্রতিবেদন

শাহজালাল বিমানবন্দরের অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি ১০০ কোটি ডলার ছাড়াতে পারে

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ছবি: সংগৃহীত

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ১০০ কোটি ডলার ছাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। গত শনিবারের এই অগ্নিকাণ্ডে তৈরি পোশাক, কাপড় ও কাঁচামালসহ বিপুল পরিমাণ পণ্য পুড়ে গেছে। এতে অনেক অনেক খাতের ব্যবসায়ী ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে বিমানবন্দরের ৮ নম্বর গেটসংলগ্ন কার্গো ভিলেজ হাউসে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। প্রায় ২৭ ঘণ্টা পর গতকাল রোববার বিকেল ৫টার দিকে আগুন পুরোপুরি নেভানো হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে গিয়ে অন্তত ৩৫ জন আহত হলেও কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় বিমানবন্দর ও ফ্লাইট চলাচল সাময়িক বন্ধ ছিল। আগুন লাগার কারণ এখনো অজানা।

চীনের পর তৈরি পোশাক খাতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক বাংলাদেশ। এ খাত থেকে প্রতিবছর প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার আয় হয়, যা দেশের মোট দেশজ প্রবৃদ্ধির (জিডিপি) ১০ শতাংশের বেশি।

ক্ষতিগ্রস্ত কার্গো ভিলেজটি দেশের সবচেয়ে আমদানি–রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশের ব্যস্ত লজিস্টিক হাবগুলোর অন্যতম। বিশেষ করে ডিসেম্বরে বড়দিনকে লক্ষ্য করে পশ্চিমের বাজারে পণ্য রপ্তানির জরুরি ক্ষেত্রে এটি গুরুত্ব অনেক। এখানে কাপড়, ওষুধ, রাসায়নিক পদার্থসহ নানা পণ্যও সংরক্ষণ করা হয়।

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনামুল হক খান বিবিসিকে বলেন, আগুনে পুড়ে যাওয়া পণ্যের মধ্যে নতুন ক্রেতাদের জন্য জরুরি স্যাম্পল বা নমুনা ছিল। এর ফলে অনেক রপ্তানিকারক ভবিষ্যতে ব্যবসায়িক সুযোগ হারাতে পারেন।

বিবিসিকে পাঠানো এক ইমেইলে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এয়ার এক্সপ্রেস অ্যাসোসিয়েশনও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতির পরিমাণ ১০০ কোটি ডলারের বেশি হতে পারে বলে অনুমান করছে।

মোট ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে এর মধ্যে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে ক্ষতির তালিকা জমা দিতে বলেছে বিজিএমইএ।

এটি সাত দিনের মধ্যে দেশে অগ্নিকাণ্ডের তৃতীয় বড় ঘটনা। গত মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর মিরপুরের রূপনগরে রাসায়নিকের গুদাম ও পোশাক কারখানায় আগুন লাগে। ওই ঘটনায় ১৬ জন নিহত হন এবং অনেকে আহত হন। এরপর বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম ইপিজেডের বহুতল পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা নেই।

পর পর তিনটি অগ্নিকাণ্ড ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। অনেকে দাবি করেছেন, এগুলো ‘পরিকল্পিত’ ঘটনা। অতীতে এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনার কারণকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলো পরস্পরের বিরুদ্ধে দোষারোপ করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এবারও জবাবদিহি ও পূর্ববর্তী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের অভাব এসব জল্পনা বাড়াচ্ছে।

অবশ্য অন্তর্বর্তী সরকার শনিবার এক বিবৃতিতে জানায়, ‘যদি কোনো ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ বা নাশকতার বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ মেলে, তবে কঠোর ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নতুন নয়। অবকাঠামোগত দুর্বলতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতির কারণে প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এমন অগ্নিকাণ্ডে শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। সেসঙ্গে ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতিও হয়েছে।

আস্থায় আমানত বাড়ছে ব্যাংকে

আট মেগা প্রকল্পের ব্যয়ে বড় ধরনের সংকোচন

বেনাপোল কাস্টমসে রাজস্ব ঘাটতি ১,০১৩ কোটি টাকা

তৃতীয় প্রান্তিকে বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে ২০০ শতাংশ, বিডার তথ্য

স্টার্টআপ পুনঃ অর্থায়ন তহবিল বাস্তবায়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে এনআরবি ব্যাংকের চুক্তি

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইনস্যুরেন্স কোম্পানির বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

ইসলামী ব্যাংকের এমক্যাশ রিব্র্যান্ডিং কার্যক্রম উদ্বোধন

আইসিএসবি ও আইসিএমএবি অ্যাওয়ার্ড অর্জনের সাফল্য উদ্‌যাপন করল ওয়ালটন

চার সমস্যার সমাধান চান অ্যাকসেসরিজ-প্যাকেজিং উদ্যোক্তারা

স্বাস্থ্যসেবায় ৪০ বছর উদ্‌যাপন করল অ্যারিস্টোফার্মা