হোম > অর্থনীতি

মিলমালিকেরা সরবরাহ কমিয়ে ভোজ্যতেলের সংকট সৃষ্টি করেন

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ফাইল ছবি

বাজারে ভোজ্যতেলের সংকটের জন্য মিলমালিকদের দায়ী করেছেন পাইকারি ব্যবসায়ীরা। তাঁরা বলেছেন, বড় মিলগুলো থেকে সয়াবিন তেলের সরবরাহ না থাকায় বাজারে ভোজ্যতেল নিয়ে সংকট দেখা দিয়েছে। তবে পাম সুপারের সরবরাহ ঠিক আছে। আগামী রমজানে সরবরাহ না বাড়ালে সংকট আরও বাড়বে বলেও সতর্ক করেন তাঁরা।

আসন্ন রমজান উপলক্ষে গতকাল বুধবার জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর আয়োজিত ভোজ্যতেল, খেজুর ও মসলার পাইকারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা সভায় ভোগ্যপণ্যের পাইকারি ব্যবসায়ীরা সরবরাহ ঘাটতি ও দাম বাড়ার কথা তুলে ধরেন। এ সময় ব্যবসায়ীরা আগামী রমজানে মসলা ও খেজুরের দাম স্থিতিশীল থাকবে বলে জানান।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মৌলভীবাজারের বিভিন্ন পাইকারি ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বাজারে ভোজ্যতেলের সংকট রয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বাজার তদারকির প্রতিবেদনেও এ তথ্য উঠে এসেছে। বিষয়টি তুলে ধরে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের কাছে এর কারণ জানতে চাওয়া হয়।

এ সময় বাংলাদেশ পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজি গোলাম মাওলা বলেন, কোম্পানিগুলো ভোজ্যতেলের এসওর টাকা জমা নেয়, ঠিকই কিন্তু পণ্যের সরবরাহ দেয় না। যেগুলো দেয়, সেগুলোও সরকারনির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি রাখে। ফলে বাজারে ভোজ্যতেলের সংকট দেখা দিয়েছে; বিশেষ করে সয়াবিন তেলের সরবরাহ একেবারে নেই বলেই চলে। একটা এসও কাটার পর অনেক ব্যবসায়ীকে ভোজ্যতেল সরবরাহ পেতে ৪০-৫০ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় বলেও অভিযোগ করেন এই ব্যবসায়ী।

মৌলভীবাজার পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বলেন, আসন্ন রমজানে তেলের চাহিদা বাড়বে। মিলমালিকেরা সয়াবিন তেলের সরবরাহ না বাড়ালে এই সংকট কাটবে না।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উদ্দেশে এই ব্যবসায়ী বলেন, ‘তেলের সরবরাহ না দিয়ে আপনারা যদি খুচরা ব্যবসায়ীদের জরিমানা করেন, তবে বাজার ঠিক হবে না। অযথা হয়রানি করা হবে। কারণ, আমাদেরকে তেলের সরবরাহ না দিলে আমরা কোথা থেকে বিক্রি করব? একেকজন পাইকারকে ২-৩ মাস পর্যন্ত সিরিয়ালে রেখেছে কোম্পানিগুলো, তেল দিচ্ছে না।’

বাংলাদেশ পাইকারি মসলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজি এনায়েতুল্লাহ বলেন, এলাচি, কাজুবাদামসহ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কিছু মসলাজাতীয় পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করায় পণ্যের দাম বেড়েছে। তাই পণ্যের দাম কমাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে এই অতিরিক্ত শুল্ক কমাতে হবে।

তবে আগামী ঈদে মসলার দাম এখন যা আছে, তাই থাকবে বলেও জানান এই আমদানিকারক। এ ছাড়া পণ্যের সংকট হবে না বলেও আশা প্রকাশ করেন।

বৈঠক শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলীম আখতার সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। এ সময় তিনি দাবি করেন, দেশে ভোজ্যতেলের সংকট নেই। আগামী রমজান মাসে তেলের সংকট হবে না। পাইপলাইনে যথেষ্ট তেল রয়েছে।

এদিকে আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ভোজ্যতেলের ঘাটতি দূর হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। একই দিন সচিবালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা এই আশ্বাস দেন।

বাজারে তেলের সংকট চলছে, এই সুযোগে অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে—এ বিষয়ে গতকাল সচিবালয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘এ মুহূর্তে আপনারা যদি বাজারে দেখেন রমজানের যত পণ্য খেজুর, ছোলা, ডাল, চিনি; শুধু তেলে একটা সমস্যা বিরাজ করছে। আশা করি, আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে তেলের বাজার স্থিতিশীল থেকে নিম্নমুখী হয়ে যাবে এবং সরবরাহের যে ঘাটতি ঘটেছে, সেটা দূর হবে।

অরাজক এলপিজির বাজার

রাষ্ট্রায়ত্ত ও বহুজাতিক ১০টি লাভজনক কোম্পানি শেয়ারবাজারে আনার সিদ্ধান্ত

ডিসেম্বরে অর্থনীতিতে গতি কিছুটা বেড়েছে

ইউনিলিভার-নেসলেসহ ১০ প্রতিষ্ঠানকে পুঁজিবাজারে আনতে বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা

সাধারণ বিমা কোম্পানির এজেন্ট লাইসেন্স স্থগিত

পাসপোর্ট এন্ডোর্সমেন্টে মানি চেঞ্জারদের সর্বোচ্চ ফি বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

এলপিজি সংকটে রিফিল হচ্ছে না ৪ কোটি ২৫ লাখ সিলিন্ডার, দাবি ব্যবসায়ীদের

অনলাইনে ভ্যাট রিফান্ড চালু, সরাসরি টাকা যাবে করদাতার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে

বিনিয়োগকারীদের ১০১ কোটি শেয়ার শূন্য হচ্ছে

গোল্ডেন হারভেস্টের দুই পরিচালকের ১ কোটি শেয়ার হস্তান্তর বাতিল