হোম > অর্থনীতি

শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন ছুটি ১২০ দিন, ২০ শতাংশের সম্মতিতে ট্রেড ইউনিয়ন: সংসদে বিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বাংলাদেশ শ্রম আইন–২০০৬ সংশোধনে বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। সংশোধন আকারে চলতি অধিবেশনেই বিলটি পাস হতে পারে। নতুন আইনে কোনো প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের মোট সংখ্যা ৩ হাজার পর্যন্ত হলে ট্রেড ইউনিয়ন করতে ২০ শতাংশ শ্রমিকের সম্মতি লাগবে। আর মোট শ্রমিক ৩ হাজারের বেশি হলে শতকরা ১৫ ভাগের স্বাক্ষরযুক্ত সম্মতি লাগবে। 
 
বিদ্যমান আইনে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের জন্য একটি প্রতিষ্ঠানের কমপক্ষে ২০ শতাংশ শ্রমিকের স্বাক্ষরযুক্ত বা তাঁদের সমর্থনসহ আবেদন না করলে ট্রেড ইউনিয়ন করা যায় না। সেটিকে এখন দুই ভাগ করা হচ্ছে। 

এ ছাড়া শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়িয়ে ১২০ দিন করার প্রস্তাবও করা হয়েছে সংশোধিত শ্রম আইনে। 

আজ রোববার জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) বিল–২০২৩ জাতীয় সংসদে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ানের পক্ষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিলটি তোলেন। পরে বিলটি পরীক্ষা করে তিন দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। 

বিলে বলা হয়েছে, কোনো প্রতিষ্ঠানে শ্রমিকদের মোট সংখ্যা ৩ হাজার পর্যন্ত হলে শতকরা ২০ ভাগ এবং ৩ হাজারের বেশি হলে শতকরা ১৫ ভাগ ট্রেড ইউনিয়নের সদস্য না হলে সেটি নিবন্ধনের যোগ্য হবে না। 

এ ছাড়া একই মালিকের অধীন একাধিক প্রতিষ্ঠান যদি একই শিল্প পরিচালনার উদ্দেশ্যে একে অপরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ও সম্পর্কযুক্ত হয়, তাহলে সেটি যেখানেই স্থাপিত হোক না কেন, ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের ক্ষেত্রে একটি প্রতিষ্ঠান বলেই গণ্য হবে। 

বিলে নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন ছুটি ৮ দিন বাড়িয়ে ১২০ দিন করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলে বলা হয়েছে, কোনো মালিক তাঁর প্রতিষ্ঠানে সজ্ঞানে কোনো নারীকে তাঁর সন্তান প্রসবের অব্যবহিত পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে কোনো কাজ করাতে পারবেন না বা কোনো নারী ওই সময়ের মধ্যে কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারবেন না। 

বিলে একটি নতুন ধারা যুক্ত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সংবিধানের ১০৩ অনুচ্ছেদের বিধানাবলি হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষেত্রে যেভাবে প্রযোজ্য হয় শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে ক্ষেত্রেও সেভাবে প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে সরাসরি আপিল বিভাগে। 

প্রতিষ্ঠানপুঞ্জে ট্রেড ইউনিয়ন করার ক্ষেত্রেও সংশোধনী আনা হচ্ছে নতুন বিলে। ‘প্রতিষ্ঠানপুঞ্জ’ বলতে কোনো নির্ধারিত এলাকায় একই প্রকারের কোনো নির্ধারিত শিল্পে নিয়োজিত এবং অনধিক বিশ জন শ্রমিক নিযুক্ত আছেন—এ ধরনের সব প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে। 

বিদ্যমান আইনে বলা আছে, কোনো প্রতিষ্ঠানপুঞ্জে গঠিত কোনো ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন করা যাবে যদি ওই প্রতিষ্ঠানপুঞ্জের অন্তর্ভুক্ত সব প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত সব শ্রমিকের মোট সংখ্যার কমপক্ষে ৩০ শতাংশ ট্রেড ইউনিয়নের সদস্য হন। প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, এ ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ শ্রমিক সদস্য হলে ট্রেড ইউনিয়নের অনুমোদন মিলবে। 

এদিকে তৈরি পোশাকশিল্প নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের কয়েকটি বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। তারা শ্রম আইন সংশোধন করে এর কার্যকর প্রয়োগ, পোশাক কারখানার কর্মপরিবেশের মানের দৃশ্যমান উন্নতি এবং বিশেষ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল বা ইপিজেডে ট্রেড ইউনিয়ন চালু করার কথা বলে আসছে। তবে, সংশোধনী আইনে ইপিজেডে ট্রেড ইউনিয়নের বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা নেই।

বিনিয়োগকারীদের ১০১ কোটি শেয়ার শূন্য হচ্ছে

গোল্ডেন হারভেস্টের দুই পরিচালকের ১ কোটি শেয়ার হস্তান্তর বাতিল

বছর শেষে সোনার আউন্স উঠতে পারে ৪ হাজার ৮০০ ডলারে

নীল অপরাজিতা বদলে দিচ্ছে ভারতীয় কৃষি উদ্যোক্তাদের ভাগ্য

ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে মার্চ থেকে বন্ধ হচ্ছে বিমানের ম্যানচেস্টার রুট

‘সিন্ডিকেটের কারসাজিতে এলপিজির দাম বৃদ্ধি’, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশ

মোস্তাফিজ ইস্যু দুই দেশের সম্পর্কের জন্যই ক্ষতিকর: অর্থ উপদেষ্টা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মুনাফার হার, ছাঁটাই ও বেতন নিয়ে যা বললেন গভর্নর

দুর্বল ৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নের জন্য ‘অকার্যকর’ ঘোষণা চলতি সপ্তাহে: গভর্নর

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে অনেক সরকারি কাজ ব্যবসায়ীদের দেওয়া হবে: আমীর খসরু