হোম > অর্থনীতি > বিশ্ববাণিজ্য

সোনার দাম তো বাড়ছেই, তবে রুপা যেন ‘ট্রাম্পকার্ড’

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ছবি: দ্য ন্যাশনাল

সাধারণত ডলার শক্তিশালী হলে সোনার দাম কমে, আর ডলার দুর্বল হলে সোনার দাম বাড়ে। কারণ বিশ্ববাজারে ডলারে মাপা হয় সোনা। বর্তমানে ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ডলারের প্রতি আস্থাহীনতার আবহে বিশ্ববাজারে সোনা ও রুপার দামে অভূতপূর্ব উত্থান দেখা যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, চলতি বছরেই প্রতি আউন্স সোনার দাম ৭ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে রুপা ইতিমধ্যে বাজারের সব প্রচলিত হিসাবকে অগ্রাহ্য করে নিজস্ব গতিপথ তৈরি করেছে।

আমিরাত-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ন্যাশনাল জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) স্পট মার্কেটে সোনার দাম প্রায় অপরিবর্তিত থেকে প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৮০ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করলেও আগের দিন এটি নতুন রেকর্ড গড়ে ৫ হাজার ১১০ দশমিক ৫০ ডলারে পৌঁছেছিল। ২০২৫ সালে সোনার দাম ৫১টি নতুন রেকর্ড ছুঁয়েছে। আর গত ৩০ দিনেই সোনার দাম বেড়েছে প্রায় ১৮ শতাংশ এবং এক বছরে এই বৃদ্ধি ৮৪ শতাংশেরও বেশি।

আরবিসি ক্যাপিটাল মার্কেটস বলছে—২০২৫ সালে সোনার যে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে, সেই হারে প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ সোনার দাম ৭ হাজার ১০০ ডলার পর্যন্ত উঠতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির বিশ্লেষকদের মতে, সোনার প্রতি বিনিয়োগকারী ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর আগ্রহে এখনো কোনো ক্লান্তির লক্ষণ নেই।

মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক জেফারিজ সোনার সম্ভাব্য দাম ৬ হাজার ৬০০ ডলার নির্ধারণ করেছে। অন্যদিকে গোল্ডম্যান স্যাকস তুলনামূলকভাবে সংযত পূর্বাভাস দিয়ে বলছে, ২০২৬ সালে সোনার দাম ৫ হাজার ৪০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। সাম্প্রতিক উত্থানের পর তারা তাদের আগের ৪ হাজার ৯০০ ডলারের পূর্বাভাস বাড়িয়েছে।

অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান পেপারস্টোনের জ্যেষ্ঠ কৌশলবিদ মাইকেল ব্রাউন বলেন, ‘চলতি বছরের দামের উত্থান সত্যিই বিস্ময়কর, জানুয়ারি শেষও হয়নি। একবার নতুন উচ্চতায় পৌঁছালে ধাতুগুলো সাধারণত আরও কয়েকটি রেকর্ড তৈরি করে—এটাই বাজারের পুরোনো সত্য।’

এদিকে রুপার উত্থান আরও নাটকীয়। মঙ্গলবার রুপার দাম কিছুটা কমে প্রতি আউন্স ১১১ দশমিক ৫১ ডলারে নামলেও গত এক মাসে এর দাম বেড়েছে ৬২ শতাংশের বেশি এবং এক বছরে প্রায় ২৮০ শতাংশ। গত সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এটি ১১৭ দশমিক ৬৯ ডলারের সর্বকালের রেকর্ড স্পর্শ করে।

সুইস ব্যাংক জুলিয়াস বেয়ারের গবেষণা প্রধান কারস্টেন মেনকে মনে করেন, মার্কিন ডলারের অবমূল্যায়ন এবং বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ডলারের ওপর আস্থা কমে যাওয়াই রুপার এই দামের একমাত্র মৌলিক ব্যাখ্যা হতে পারে। তিনি বলেন, ‘রুপা যেন সব বাণিজ্যের ট্রাম্পকার্ড। বাজার যা চায়, সেটাই করছে।’

এদিকে বিশ্লেষকদের একাংশ রুপার দামে বড় ধরনের সংশোধনের আশঙ্কা করছেন। তবে অন্যদের মতে, ঐতিহাসিক তুলনায় রুপার দামের এই উত্থান এখনো অযৌক্তিক নয়। সুইসকোট ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক ইপেক ওজকারদেস্কায়া বলেন, ডলারের মৌলিক দুর্বলতা অব্যাহত থাকলে রুপার দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বযাত্রা থামার বিশেষ কারণ নেই।

১ ফেব্রুয়ারি থেকে পাটকল বন্ধের হুমকি, উপদেষ্টাকে চিঠি

রমজানের আগে ভোজ্যতেল-ডাল কিনছে সরকার

যুক্তরাষ্ট্রের ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্কে ‘কিছুটা ছাড়ের’ আশা, ঘোষণা আসছে শিগগির

ইসলামী ব্যাংক পর্ষদের সঙ্গে শরিয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির মতবিনিময়

বাংলাদেশে ইন্দোনেশিয়ার চেইনশপ আলফামার্টের যাত্রা শুরু, শতাধিক স্টোর চালুর পরিকল্পনা

সোনার ভরি ২ লাখ ৬০ হাজার ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড গড়ল

ভারতের গাড়ির বাজারে ইইউর বড় সুযোগ, ৭০ শতাংশ শুল্ক ছাড়ের সম্ভাবনা

মিরসরাইয়ে ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলের জায়গায় হবে সামরিক শিল্পাঞ্চল

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় দেশের প্রথম মুক্তবাণিজ্য অঞ্চল স্থাপনের সিদ্ধান্ত

খেলাপি ঠেকাতে করপোরেট ঋণ কমাবে বাংলাদেশ ব্যাংক: গভর্নর