হোম > অর্থনীতি

পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে বরাদ্দ বেড়েছে ৯৬ কোটি টাকা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ২ হাজার ২৪০ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। যা চলতি অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় ৯৬ কোটি টাকা বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা। তবে সংশোধিত বাজেটে তা কমে ১ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকায় নেমে আসে।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়তে সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ ও বনায়ন কার্যক্রমে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

সরকার আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে। সড়ক, মহাসড়ক, বাঁধ, নদী ও খালপাড়সহ প্রান্তিক এলাকায় বনায়ন জোরদার করা হবে। পাশাপাশি উপকূলীয় চরাঞ্চলে ম্যানগ্রোভ বন সম্প্রসারণ, অবক্ষয়িত শালবন পুনরুদ্ধার এবং নগর ও কৃষি বনায়ন কার্যক্রমও সম্প্রসারণ করা হবে।

অর্থমন্ত্রী জানান, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে প্রায় সাড়ে তিন লাখ সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এ ছাড়া ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে এক কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

বনায়ন কার্যক্রমে জবাবদিহি ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে জিপিএস ও জিআইএসভিত্তিক তথ্য সংরক্ষণ এবং একটি ‘ট্রি মনিটরিং অ্যাপ’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উপকূলীয় ম্যানগ্রোভ বনের ৫০ শতাংশ কার্বন ট্রেডিংয়ের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে দেশের বন্যপ্রাণীর ‘রেড লিস্ট’ হালনাগাদ করা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় সামুদ্রিক প্রাণীসহ ২ হাজার ২০০ প্রজাতির বন্যপ্রাণীর মূল্যায়ন করা হবে। এ ছাড়া প্যারিস চুক্তির আর্টিকেল-৬ এর আওতায় ১১টি নতুন কার্বন ট্রেডিং প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণেও বেশ কয়েকটি উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে ১৫টি কনটিনিউয়াস এয়ার মনিটরিং স্টেশন এবং ১৬টি কমপ্যাক্ট স্টেশনের মাধ্যমে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যানবাহনের দূষণ কমাতে ১০টি আধুনিক ভেহিকল ইন্সপেকশন সেন্টার স্থাপন এবং বৈদ্যুতিক বাস সার্ভিস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ‘রিডিউস, রিইউজ ও রিসাইকেল’ নীতির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে প্লাস্টিক বর্জ্য ৩০ শতাংশ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ও জৈব সার উৎপাদন এবং প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার প্রকল্প বাস্তবায়নের কথাও বলা হয়েছে।

পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের অংশ হিসেবে বর্তমানে ৩ হাজার ২৬০টি ইটিপি স্থাপনযোগ্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২ হাজার ৭০০ টিতে ইটিপি স্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮২০টি প্রতিষ্ঠানের ইটিপিতে আইপি ক্যামেরা বসিয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রায় ৯ হাজার ৯৬০ হেক্টর ব্লক বাগান, ৩ হাজার ৭২৭ কিলোমিটার স্ট্রিপ বাগান এবং ৪ হাজার হেক্টর ম্যানগ্রোভ বাগান সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। পাশাপাশি ৩০০ হেক্টর সংরক্ষিত এলাকা সম্প্রসারণ এবং ৪ হাজার ৫০০ হেক্টর দখল হওয়া বনভূমি পুনরুদ্ধারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের জন্য আগামী অর্থবছরে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

দাম কমছে ক্যামেরা–গিটারের, কনটেন্ট ক্রিয়েটররা পাবেন উন্নয়ন সহযোগিতা

উত্তরা ব্যাংক ও নগদের মধ্যে ডিজিটাল আর্থিক সেবায় চুক্তি স্বাক্ষর

মেট্রোরেল ভবনে সোনালী ব্যাংকের উপশাখার উদ্বোধন

জুলাই শহীদ ও আহতদের আবাসনের জন্য বরাদ্দ ৩০০ কোটি, ভাতাভোগী বাড়ছে ১,৮৫৭ জন

বরাদ্দ বাড়ছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায়, প্রস্তাব ১০ হাজার ৩৫০ কোটি

পিসিএএফের সিগনেটরি হিসেবে বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থায়ন উদ্যোগে যুক্ত হলো প্রাইম ব্যাংক

একাধিক গাড়ি থাকলেই দিতে হবে পরিবেশ সারচার্জ

বাজেটে বেসরকারি খাতে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে: সিপিডির খন্দকার গোলাম

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জন্য ৪,৪০১ কোটি টাকার প্রস্তাব

মার্কেট-শপিং মল খোলা রাখার নতুন সময়, আজ থেকেই কার্যকর