নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে জেলা বিএনপি। এই কর্মসূচিতে হামলা ও সভাস্থল ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক লীগ ও তাঁতী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। এতে বিএনপির অর্ধ শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। দলীয় কার্যালয়ের ঘণ্টাব্যাপী অবরুদ্ধ ছিলেন জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৬টায় বিএনপির বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে নেতা-কর্মীদের বক্তব্য দেওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বালিয়াডাঙ্গী চৌরাস্তা বাজারে থমথমে পরিবেশ রয়েছে।
এদিকে নেতা-কর্মীদের অবরুদ্ধ রেখে আওয়ামী লীগ তার সহযোগী সংগঠনগুলো পাল্টা বিক্ষোভ মিছিল করে বলে জানান স্থানীয়রা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিকেল ৩টায় পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বিএনপির ডাক দেওয়া বিক্ষোভ মিছিল হয় চৌরাস্তায়। এরপরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সভায় বক্তব্য প্রদান শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। অভিযোগ উঠেছে, সভায় স্থানীয় এমপিকে কটাক্ষ করে বক্তব্য দিলে হামলা চালায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।
এদিকে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘আমাদের লোকজন কোনো হামলা চালাইনি। বিএনপির কর্মসূচিতে রাজনৈতিক বক্তব্য না দিয়ে ঠাকুরগাঁও থেকে আসা ঠাকুরগাঁও মহিলা দলের সভাপতি ফোরাতুন নাহার প্যারিস স্থানীয় এমপিকে (দবিরুল ইসলামকে) জড়িয়ে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় বিএনপির মধ্যেই থাকা স্থানীয় এমপির সমর্থকেরা এটার প্রতিবাদ করেছে।’
এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল আনাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, বিএনপির উস্কানিমূলক বক্তব্যে প্রদানের সময় আওয়ামী লীগ ও তাঁদের লোকজন হামলা চালায়। পুলিশের সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরে পরিবেশ শান্ত হলে দলীয় কার্যালয়ের ভেতর অবরুদ্ধ থাকা বিএনপির নেতা-কর্মীদের উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁওয়ে পাঠিয়ে দেয় পুলিশ সদস্যরা।