টাঙ্গাইলের বাসাইলে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যার পর ঘরে থাকা নগদ ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তির ধানের চারা রোপণ করতে আসা অজ্ঞাতনামা দুই শ্রমিকের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের ঘোষাখালী গ্রামে নিজ ঘর থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়।
নিহতরা হলেন ঘোষাখালী গ্রামের মোতাহার সিকদার ওরফে ঠান্ডু (৭৫) ও তাঁর স্ত্রী রেজিয়া বেগম (৬৫)।
নিহতের নাতি শাকিল সিকদার বলেন, ‘গত রোববার কৃষিজমিতে ধানের চারা রোপণ করার জন্য শরীফ ও সুমন নামের দুই শ্রমিক আনা হয়। আমার দাদার পায়ে প্রচণ্ড ব্যথা ছিল। পরে শ্রমিকেরা পায়ের ব্যথা ভালো করার জন্য দাদাকে কবিরাজি ওষুধ খেতে দেন। গত রাতে দাদার ঘরের বারান্দায় শ্রমিকদের ঘুমানোর জন্য জায়গা দেওয়া হয়। আর দাদা ও দাদি ঘরের ভেতরে ঘুমান। রাতের কোনো একসময় ঘরের টিন কেটে দরজা খুলে ঢোকে শ্রমিকেরা। এ সময় দাদা ও দাদিকে শ্বাসরোধে হত্যার পর টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পরে সকালে দাদা-দাদিকে উদ্ধার করে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘর থেকে কী কী মালপত্র লুট হয়েছে, তা এখনো নির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। হত্যার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার (সখীপুর সার্কেল) এ কে এম মামুনুর রশিদ বলেন, ধানের চারা রোপণের জন্য দুই শ্রমিক আনা হয়েছিল। ভোর থেকে তাঁদের পাওয়া যাচ্ছে না। এই বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যার ঘটনায় ওই দুই শ্রমিককে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।